Saturday, September 19, 2026
বাড়ি রাজ্য অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিলি, আতঙ্ক বাড়ছে যুবরাজ নগরে

অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিলি, আতঙ্ক বাড়ছে যুবরাজ নগরে

অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিলি, আতঙ্ক বাড়ছে যুবরাজ নগরে

 

 

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। সেপ্টেম্বর : রাজ্যে সরকারি কর্মচারীদের একটা বড় অংশ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে শুরু করেছে। চরম উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে তারা কর্ম ক্ষেত্রে। ধর্মনগর মহকুমার অন্তর্গত যুবরাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ যুবরাজনগর ১ নং ওয়ার্ডের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বন্টনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য থেকে থেকে জানা গেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের আওতাধীন শিশুদের অভিভাবকদের ডেকে আনা হয় এবং শিশুদের জন্য ওষুধ বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে বোতলের গায়ে থাকা তারিখ পরীক্ষা করে অভিভাবকরা দেখতে পান যে, বণ্টন করা প্রতিটি ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ। কিন্তু অভিযোগ সেই ওষুধগুলো ছিল মেয়াদউতীর্ণ ।

এই দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের সময় উপস্থিত ছিলেন মঙ্গল খালি সাব সেন্টারের এমপিডব্লিউ মনিষ নাথ, স্থানীয় আশা কর্মী কয়রুন নেছা এবং অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার মাম্পি দেবনাথ। শিশুদের স্বাস্থ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এমন চরম গাফিলতি প্রকাশ্যে আসতেই অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভে বাড়ছে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এক সচেতন অভিভাবক ম্যাসেজ করে সকলকে সতর্ক করে দেন। অথচ এমপি ডব্লিউ বা অঙ্গওয়ারির পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নি। তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে লেখেন যে সরবরাহ করা ওষুধগুলি সম্পূর্ণ মেয়াদ উত্তীর্ণ, তাই কোনো অভিভাবক যেন ভুল করেও তা শিশুদের না খাওয়ান। কোমলমতি শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এই ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের এমন বেপরোয়া কাণ্ডজ্ঞানহীনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। অবিলম্বে এই ঘটনায় জড়িত স্বাস্থ্যকর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণ যুবরাজনগরের বাসিন্দারা। এখন দেখার বিষয় এই খবর প্রকাশের পর কুম্ভ-নিদ্রা ভাঙ্গে কিনা দপ্তরের আধিকারিকদের। যদি শিশুর কিংবা গর্ভবতী মহিলাদের জীবন সংকটে পত্র তাহলে এর দায়ি কে নিত? এ ধরনের উদাসীনতা এবং চরম গাফিলতি যেন পুনারবৃত্তি না হয় তার জন্য সুষ্ঠু তদন্তের দাবি উঠেছে গোটা সচেতন নাগরিক মহলের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি দাবি উঠেছে এলাকায় স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করে বিষয়টি অবিলম্বে খতিয়ে দেখার জন্য।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha