স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৭ সেপ্টেম্বর : ভিলেজ কমিটির নির্বাচনের আগে রাজ্যে অস্ত্র সহ ধরা
পড়লো দুই যুবক। রবিবার রাতে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুইটি
নাইন এমএম পিস্তল ও তিনটি কার্তুজ সহ বিহারের দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে এনসিসি থানার
পুলিশ ও আসাম রাইফেলসের যৌথ বাহিনী। এদিন শালবাগান বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে
দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারা রাতের বেলা নয়টা নাগাদ পায়ে হেঁটে পিস্তল নিয়ে
শালবাগানের দিকে আসছিল। তাদের গতি প্রকৃতি সন্দেহ হওয়ার পর আটক করে তল্লাশি চালানো
হয়।
সোমবার সংবাদ
মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এনসিসি এসডিপিও সুব্রত বর্মন জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে
যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিহারের দুই যুবকের কাছ থেকে দুইটি নাইন এমএম পিস্তল
ও তিনটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ধৃত দুই যুবক অস্ত্র
ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র কোথা থেকে
আনা হয়েছিল এবং কোথায় সরবরাহের উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সোমবার ধৃতদের
রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে তোলা হবে বলে জানান এসডিপিও সুব্রত বর্মন। ঘটনার তদন্ত
শুরু করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, রাজ্য পুলিশ বর্তমানে স্মার্ট পুলিশ হতে গিয়ে মানুষের
মনে রহস্যের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। চোর-ডাকাত, অস্ত্র পাচারকারী এবং দুর্বৃত্তদের মুখ
ঢেকে সংবাদ মাধ্যমে সামনে বয়ান দেয়।
শুধু তাই
নয় বিভিন্ন সময় এই দুর্বৃত্ত চোর ডাকাত অস্ত্র পাচারকারীর নাম পর্যন্ত সংবাদ মাধ্যমে
সামনে উল্লেখ করেন না। তদন্ত সাপেক্ষে দোহাই দিয়ে চলেছে। নয়া বি.এন.এস অনুযায়ী কোথাও
কি চোর ডাকাতের মুখ ঢেকে রাখতে হবে বা নাম বলা যাবে না এমন কোন উল্লেখ রয়েছে কিনা
জানা নেই। এতে করে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্নের দানা বাঁধছে। কেউ কেউ মনে করছে পুলিশ
কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে কিছু আড়াল
করতেও এই ধরনের কায়দা অবলম্বন করতে পারে। তবে বিশেষ করে পশ্চিম আগরতলা থানা, আমতলী
থানা, পূর্ব থানা এবং এনসিসি থানার ক্ষেত্রেই এই ধরনের নয়া নিয়ম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান