স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৬ সেপ্টেম্বর : রাজধানীর মোটরস্ট্যান্ড এলাকায়
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক যুবক। আহত
যুবকের নাম প্রাণেশ দাস। বাবার নাম পরিমল চন্দ্র দাস। বাড়ি দাসপাড়া এলাকায়। ঘটনার রবিবার দুপুরে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পানেশ দাস রবিবার দুপুরে মোটরস্ট্যান্ড দিয়ে যাওয়ার সময় ১৪ চাকার একটি
লরি তাকে ধাক্কা দেয়। তার পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ট্রাফিক পুলিশ গাড়িটি ও গাড়ি চালককে
আটক করে। আহত যুবককে উদ্ধার করে আইজিএম হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিন্তু অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ব্যবহার করা হয় জিবি হাসপাতালে। তারপর অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসে কর্তব্যরত দুই ট্রাফিক কনস্টেবল। প্রত্যক্ষদর্শী এক কনস্টেবল জানান, আহত প্রনেশ দাশের পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছে। এক প্রকার ভাবে পা অকেজো হয়ে গেছে বলে মনে করছেন তিনি। তবে প্রশ্ন হল দুপুর বেলা পণ্যবাহী লরি শহরের ব্যস্ততম রাস্তায় কিভাবে প্রবেশ করল?
গোটা
শহরে ট্রাফিক কর্মী থাকার পরেও কিভাবে শহরে লরিটি প্রবেশ করেছে? এমনিতেই শহরের মধ্যে রাস্তাঘাট ভাঙ্গা, এতে যানজটে মানুষের দুর্ভোগ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। তার উপর দিয়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। শুধুমাত্র জরিমানা আদায় নিয়ে ব্যস্ত থাকছেন দিনরাত। শহরের মধ্যে যানজট সৃষ্টি করার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে বড় গাড়ি এবং ট্রাফিকের কর্তব্যের গাফিলতি। এদিকে শহরের মধ্যে তীব্র যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রাফিক এসপি-র কোন ভূমিকা
নেই। সরজমিনে বের হয়ে শহরে যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে এবং পরিকল্পনা মোতাবেক বিভিন্ন ব্যস্ততম রাস্তা গুলিতে ট্রাফিক কর্মী মোতায়েন করতেও দেখা যায় না। এক প্রকার ভাবে
চরম উদাসীনতা চলছে ট্রাফিক দপ্তরে। সরকার এই বিষয়ে অবগত
থাকলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান