স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৫ সেপ্টেম্বর : রাজ্য সরকারকে ঘুমে
রেখে বাঁকা পথে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে নেশা মুক্তি কেন্দ্র। রাজনৈতিক দলীয়
কার্যালয় সাক্ষী হলেই প্রশাসন আর অভিযান চালায় না। যার কারণে একাধিক ঘটনা নেশা মুক্তি
কেন্দ্র গুলিতে ঘটছে। এবার খুনের অভিযোগে গ্রেফতার স্বপ্না ফাউন্ডেশনের কর্ণধার শুভম
বিশ্বাস সহ মোট আটজন। তাদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল এনসিসি থানায়। তদন্তে
নেমে পুলিশ তাদের ধরপাকড় করেছে। ঘটনা বিবরণে জানা যায়, শাহানা দাস ভট্টাচার্য তার
স্বামী তুহিন শুভ্র ভট্টাচার্যকে গত ৯ আগস্ট স্বপ্না ফাউন্ডেশনে ৫০০০ টাকা দিয়ে ভর্তি
করায়।
স্বপ্ন ফাউন্ডেশন
এর কর্ণধার শুভম বিশ্বাস আশ্বস্ত করেছিলেন দ্রুত সুস্থ করে দেবে তুহিন শুভ্র ভট্টাচার্যকে।
এবং ধাপে ধাপে আরও কয়েক হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু গত ১৬ আগস্ট মৃত্যু হয় তুহিন
শুভ্র ভট্টাচার্যের। তখন মৃত ব্যক্তির স্ত্রী শাহানা দাস ভট্টাচার্যী থানায় মামলা
করেন তার স্বামীকে নেশামক্তি কেন্দ্রে মারধর করে হত্যা করেছে। গত তিন সেপ্টেম্বর ময়নাতদন্তে
রিপোর্ট হাতে আসে। ময়না তদন্তে রিপোর্টে দেখতে পান নেশা মুক্তি কেন্দ্রে মারধরের শিকার
হয়েছিলেন তুহিন। তারপর পুলিশ নেশা মুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধার শুভম বিশ্বাস সহ মোট আটজনকে
জালে তুলে। শনিবার এ বিষয়ে জানিয়েছেন এনসিসি থানার ওসি। তিনি জানান অভিযুক্তদের কাছ
থেকে ঘটনার সততা উদঘাটন করতে পুলিশ রিমান্ডে আদালতে তোলা হয়।
তারা দীর্ঘদিন
ধরে নেশা মুক্তি কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে। অথচ নেশা মুক্তি কেন্দ্র পরিচালনার কোন
কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এমনকি তারা নেশা সামগ্রী উদ্ধার করে কি করছে সে বিষয়ে পুলিশকে
কোন জবাব দিতে পারেনি। সবটা বিষয় এখন তদন্ত সাপেক্ষ। উল্লেখ্য, শুভম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে
আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল শুভম বিশ্বাস এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গরা
কিভাবে নেশা মুক্তি কেন্দ্রের মানুষের উপর নির্যাতন চালায় সেই দৃশ্য নিজের ভিডিও ভাইরাল
করে দেখায়। যাইহোক পুলিশ খুনের মামলা হাতে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান