স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২৮ আগস্ট :লাগাতার
চুরির ঘটনার
প্রতিবাদে প্রতাপগড়ে
সড়ক অবরোধ
করলো রাম
ঠাকুর পাঠশালার
পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের
অভিযোগ, গত
কয়েকদিন ধরে
বিদ্যালয়ে একের
পর এক
চুরির ঘটনা
ঘটছে। পাশাপাশি
দীর্ঘদিন ধরে
বিদ্যুৎ ও
পানীয় জলের
সমস্যায় ভুগছেন
তাঁরা। এই
পরিস্থিতিতে ক্ষোভে
ফেটে পড়েন
ছাত্রছাত্রীরা। শুক্রবার
প্রতাপগড়ে সড়ক
অবরোধ করে
রামঠাকুর পাঠশালা
বয়েজ হায়ার
সেকেন্ডারি স্কুলের
ছাত্ররা। পড়ুয়াদের
দাবি, প্রায়
১০ থেকে
১৫ দিন
ধরে স্কুলে
পানীয় জল
ও বিদ্যুৎ
পরিষেবা নিয়ে
সমস্যা চলছে।
এরই মধ্যে
গত ১৫
আগস্ট থেকে
২৮ আগস্ট
পর্যন্ত একাধিকবার
স্কুলে চুরির
ঘটনা ঘটেছে
বলে অভিযোগ।
চোরের দল
স্কুল থেকে
বৈদ্যুতিক তার,
সিসিটিভি ক্যামেরা,
পাখা সহ
বিভিন্ন বৈদ্যুতিক
সরঞ্জাম নিয়ে
যাচ্ছে। বিষয়টি
নিয়ে বারবার
পুলিশকে লিখিতভাবে
জানানো হলেও
এখনও পর্যন্ত
চুরির ঘটনায়
জড়িতদের শনাক্ত
করা সম্ভব
হয়নি। ফলে
কার্যত বারবার
চ্যালেঞ্জের মুখে
পড়ছে স্কুলের
নিরাপত্তা ব্যবস্থা।এদিকে
স্কুলে পানীয়
জল ও
বিদ্যুতের সমস্যার
পাশাপাশি শিক্ষক
স্বল্পতার অভিযোগও
তুলেছেন পড়ুয়ারা।
তাঁদের দাবি,
বর্তমানে স্কুলে
স্বাভাবিকভাবে পঠন-পাঠন হচ্ছে না।
বাংলা এবং
বায়োলজি বিষয়ক
শিক্ষক নেই
বিদ্যালয়ে। নিয়মিত
ক্লাস হচ্ছে
না।
ফলে ব্যাহত
হচ্ছে শিক্ষার্থীদের
পড়াশোনা। পাশাপাশি
প্রায় ছয়
দিন ধরে
স্কুলে ঠিকঠাকভাবে
মিড-ডে
মিল পরিষেবা
দেওয়া হচ্ছে
না। কারণ
পানীয় জলের
অভাব। ছাত্র-ছাত্রীদের পানীয়
জল দোকান
থেকেও ক্রয়
করে আনতে
হয়। বিভিন্ন
সময় পানীয়
জলের অভাবে
এবং বিদ্যুতের
অভাবে অসুস্থ
হয়ে পড়ছে
বহু ছাত্র।
এদিকে বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষিকা
জানান, গত
১৫ আগস্ট
থেকে লাগাতার
চুরি হচ্ছে
বিদ্যালয়ে। দিনদুপুরে
এই ঘটনাগুলি
সংগঠিত হচ্ছে।
বিদ্যালয় থেকে
সপ্তম পিরিয়ডের
আগে ছাত্রদের
ছাড়া হয়
না। কিন্তু
গত কয়েকদিন
ধরে বিদ্যালয়ে
লাগাতার চুরির
ঘটনায় ছাত্রদের
পড়াশোনায় প্রচন্ড
ব্যাঘাত ঘটছে।
প্রতিনিয়ত পুলিশকে
অবগত করা
হলেও চোর
ধরা যাচ্ছে
না। এদিকে
খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে পৌঁছায়
পুলিশ। পরবর্তী
সময় পুলিশ,
শিক্ষক শিক্ষিকা,
ছাত্র-ছাত্রী
এবং অভিভাবকদের
মধ্যে বৈঠক
হয়। চোর
ধরার জন্য
সকলে একজোট
হয়ে ময়দানে
নামার সংকল্প
নেয়। উল্লেখ্য,
এলাকায় নেশা
কারবারীদের দৌরাত্ম্য
দিনদিন বেড়ে
চলেছে। এলাকায়
এই ধরনের
চুরির ঘটনার
পেছনে নেশাখোররা
দায়ী বলে
মনে করছে
সচেতন নাগরিক
মহল। পুলিশ
প্রশাসন প্রাথমিকভাবে
নেশার বিরুদ্ধে
এলাকায় অভিযান
না চালালে
চুরি ঘটনা
আটকানো মুশকিল
হয়ে পড়তে
পারে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান