স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৪ জুলাই :২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের চাকমাঘাট শিবিরে বসবাস করেন পরেশ দেববর্মা। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে চার সদস্যের সংসার। পেশায় তিনি একজন দৈনিক মজুর। অনিশ্চিত আয়ের উপর ভর করেই কোনোরকমে চলছে সংসারের চাকা। অভিযোগ, বছরের পর বছর কেটে গেলেও এই পরিবারটির ভাগ্যে জোটেনি একটি বি.পি.এল বা অন্তোদয় রেশন কার্ড। মাথা গোঁজার একমাত্র সম্বল একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘর।
সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতেই ঘরের চাল দিয়ে জল পড়ে, শিলাবৃষ্টির সময় প্রাণ হাতে নিয়ে রাত কাটাতে হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় সন্ধ্যা নামলেই নেমে আসে অন্ধকার। পরেশ দেববর্মার পরিবারের দাবি, বহুবার এলাকার জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সরকারি দপ্তরের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুরাহা মেলেনি। বরং মিলেছে শুধু আশ্বাস, অপমান ও বঞ্চনা। পরেশ দেববর্মার স্ত্রীর অভিযোগ আরও বিস্ফোরক। তাঁর দাবি, এ.পি.এল রেশন কার্ড’কে বি.পি.এল করতে নাকি বিভিন্ন মহল থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। টাকা দিলে তবেই রেশন কার্ড পরিবর্তন করে দেওয়া হবে—এমনই অভিযোগ তাঁর। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাঁর আক্ষেপ, “কখনো লবণ থাকে তো মরিচ থাকে না, মরিচ থাকলে সিদল নেই, সিদল থাকলে মোম নেই, আর মোম থাকলেও কারেন্ট নেই।” অভাব যেন এই পরিবারের নিত্যসঙ্গী।

