স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২২ জুন : জনগণের সমস্যা তৈরি করতে ২৪ জুন থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করার সিদ্ধান্ত নিল মিলি ঝুলি আত্মসমর্পণকারী জঙ্গি সংগঠন। এই অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধকে সামনে রেখে সাংবাদিক সম্মেলন করেন জে.এ.আর.সি ও জে.এ.সি। সোমবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত আত্মসমর্পণকারি বৈরিদের উভয় সংগঠনের নেতৃত্ব জানান তারা তাদের ৯ দফা দাবি সম্বলিত স্মারক লিপি মুখ্যমন্ত্রীর নিকট প্রেরন করে সময়সীমা বেধে দেন।
৮ জুন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রীর নিকট স্মারক লিপি প্রদান করেন। দাবি জানান তাদেরকে নিয়ে মহাকরণে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করার জন্য। তারা যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তার সাথে। কিন্তু তারা ব্যর্থ হন। তাই বাধ্য হয়ে ২৪ জুন আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কের সাধু চন্দ্র পাড়া ও ভৃগু দাস পাড়ায় রেল লাইন অনির্দিষ্ট কালের জন্য অবরোধের ঘোষণা করেন।
পরবর্তী সময় এস.বি এস.পি তাদের সাথে বৈঠক করেন। কিন্তু বৈঠক থেকে কোন সমাধান সুত্র বের হয় নি। তখন তাদের জানানো হয় পরবর্তী সময় তাদেরকে নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকা হবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত অফিসিয়ালি তাদেরকে বৈঠকের জন্য ডাকা হয় নি। তাই তারা পূর্ব ঘোষণা মোতাবেক ২৪ জুন থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধে বসবেন। তবে দীর্ঘদিন পর পর রাজ্যের আত্মসমর্পণ জঙ্গি সংগঠনগুলি পৃথক গ্রুপ করে যেভাবে মানুষের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে সেটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি তারা প্রশ্রয় পেয়ে চলেছে। যা বলার অপেক্ষা রাখে না বলে মনে করছে রাজ্যের সাধারণ নাগরিক। এমনটাই দাবি রাজ্যে শান্তিপূর্ণ মানুষের। কারণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আন্দোলন করার অধিকার সবার আছে। কিন্তু জাতীয় সড়ক এবং রেল পথ অবরোধ করে মানুষের সমস্যার কারণ হওয়ার অধিকার নেই কোন প্রাক্তন জঙ্গি সংগঠনের।

