বাড়িরাজ্যঅপমান সহ্য করতে পারলেন না পশ্চিম ত্রিপুরার জেলা সভাধিপতি, আধিকারিকদের সামনেই একহাত...

অপমান সহ্য করতে পারলেন না পশ্চিম ত্রিপুরার জেলা সভাধিপতি, আধিকারিকদের সামনেই একহাত নিলেন

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২২ জুন : আগামী ২১ জুলাই থেকে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী খারচি পূজা ও মেলা। খারচি পূজা ও মেলাকে সামনে রেখে সোমবার অনুষ্ঠিত হয় প্রস্তুতি বৈঠক। পশ্চিম জেলার জেলা শাসকের কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক রতন চক্রবর্তী, পশ্চিম জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল সহ বিভিন্ন দপ্তরে আধিকারিকরা। এদিকে বৈঠক শুরুতেই সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল হঠাৎ ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন। তিনি বলে উঠেন বিগত বছর তিনি জেলা সভাধিপতি পদে দায়িত্ব থাকার পরেও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। পাল্টা বিধায়ক দাবি করেন এটা আজকের বৈঠকের আলোচনা নয়। অনুষ্ঠানে কারা উপস্থিত থাকবেন সেটা নির্ণয় করা হয় এক্সিকিউটিভ বৈঠকে।

তারপর পাল্টা সভাধিপতি দাবি করলেন বিগত বছর এমন কোন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। অথচ কোন বছর বাদ যায়নি সভাধিপতির উপস্থিতি। শেষ পর্যন্ত চেয়ারম্যান অর্থাৎ বিধায়ক বিষয়টি কোনক্রমে কেটে পড়লেন। বিধায়ক রতন চক্রবর্তী জানান খার্চি পূজা ও মেলাকে সামনে রেখে এইদিন বৈঠক করা হয়েছে বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে। একটা সময় খারচি পূজা শুধুমাত্র রাজ পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পরবর্তী সময় খারচি পূজা জনজাতি অংশের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমানে খারচি পূজা জাতি জনজাতি সকলের উৎসবে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সমগ্র দেশ খারচি পূজার বিষয়ে জানেন। স্বাভাবিক ভাবেই দায়িত্ব আগের তুলানায় অনেক বেড়ে গেছে। চৌদ্দ দেবতা মন্দিরের উন্নয়নে পর্যটন দপ্তর নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খার্চি পূজার জন্য নির্দিষ্ট কোন তহবিল থাকে না। খার্চি মেলায় যে সকল ব্যবসায়ীরা দোকান নিয়ে বসে তাদের কাছ থেকে ভিটির বিনিময়ে যে টাকা নেওয়া হয়ে থাকে, সেই টাকা দিয়ে খারচি পূজা করা হয়ে থাকে। তবে বিধায়ক এবং সভাধিপতির এই দ্বন্দ্ব প্রকাশ করেছে কতটা ক্ষোভ নিয়ে বৈঠকে গেছেন সভাধিপতি।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য