স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৭ মে : রাজ্য সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আঙ্গুল তুলে সরব হলেন রাজ্যের ২০২৪ সালের টেট ওয়ান এবং টেট টু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যুবক যুবতীরা। বৃহস্পতিবার তারা শিক্ষা দপ্তরের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। তাদের বক্তব্য তারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৮৫৬ জন। তাদের সকলকে একসাথে দ্রুত নিয়োগ করার জন্য দাবি করে আসছে রাজ্য সরকারের কাছে। অথচ, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে শিক্ষা দপ্তর অত্যন্ত উদাসীনতার ভূমিকা পালন করে চলেছে। সরকারের কাছে তাদের দাবি সকলকে একসঙ্গে যেন নিয়োগ করা হয়। কিন্তু শিক্ষা দপ্তরে আসার পর তাদের বলে দেওয়া হচ্ছে এই বিষয়ে তারা কিছুই জানে না।
তারপর তারা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ মানিক শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইলে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ পর্যন্ত করছেন না। এতে তাদের প্রশ্ন, কেন মুখ্যমন্ত্রী তাদের সঙ্গে দেখা করতে চান না? তাদের ভোটে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন ডাক্তার মানিক সাহা। রাজ্য সরকারের এই ধরনের তালবাহানায় রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি ঘটছে বলে দাবি করেন। আরো বলেন, তারা উত্তীর্ণ হওয়ার পর ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের সঙ্গে ঝামেলা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের।
তারা যে কলেজ থেকে বি এড কোর্স সম্পূর্ণ করেছে, সেই কলেজ সরকারিভাবে স্বীকৃত প্রাপ্ত কিনা তার জন্য প্রমাণ দিতে বলছে। অথচ সেসব কলেজ থেকেই ২০২১-২২ সালের পরীক্ষার উত্তীর্ণরা বর্তমানে চাকরির করছে বলে দাবি তাদের। আরো বলেন, রাজ্যে পর্যাপ্ত বি.এড এবং ডিএলএড কোর্স করার জন্য কলেজ নেই। আর যে কলেজ রয়েছে তার মধ্যে আসন সংখ্যা অনেক বেশি কম। যার কারণে তাদের কোর্স করতে রাজ্যের বাইরে কলেজের উপর নির্ভর করতে হয় বলে জানান তারা। উল্লেখ্য, টেট উত্তীর্ণ হলে মানেই শিক্ষক হওয়ার যোগ্য। কিন্তু সরকারকে একসঙ্গে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে বলে কোন নিয়ম নীতি নেই। গত কয়েক বছরে টেট উত্তীর্ণদের এই ধরনের আন্দোলন টেন্ডেন্সি হয়ে গেছে।

