বাড়িরাজ্যসুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের আর্থিক সমৃদ্ধি

সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের আর্থিক সমৃদ্ধি

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২ মে :  সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে দাঁড়িয়ে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের মোট ব্যবসা হয়েছে ১৫, ৪২২. ১৪ কোটি টাকা। আজ আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের কর্মকর্তারা বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান সত্যেন্দ্র সিংহ, জেনারেল ম্যানেজার অনুপ কুমার সাহা এবং চিফ ম্যানেজার  সৈলেশ ভি রঞ্জন উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন  । তাঁরা ব্যাংকের আর্থিক সাফল্য, গ্রাহক পরিষেবা, ডিজিটাল ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।তাঁরা জানান,১৯৭৬ সালের  ২১ডিসেম্বর রাজ্যে যাত্রা শুরু করে ছিল ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক।

আজ সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে দাঁড়িয়ে তাদের ব্যবসা ১৫,৪২২.১৪ কোটি টাকা। শুরুতে চারটি শাখা ছিল। আগরতলা, বিশ্রামগঞ্জ, বিশালগড় এবং জোলাইবাড়িতে। এর মূল লক্ষ্য ছিল ত্রিপুরার গ্রামীণ কৃষক, কারিগর এবং সমাজের দুর্বল অংশকে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং পরিষেবা প্রদান করা। শনিবার আগরতলা প্রজ্ঞা ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে ব্যাংকের চেয়ারম্যান সত্যেন্দ্র সিংআরও বলেন,১৯৭৬ অর্থবর্ষের শেষে মোট ব্যবসার মাত্র ৪.৫২ লক্ষ টাকার সামান্য সূচনা থেকে ব্যাংকটি এখন ত্রিপুরার আটটি জেলা জুড়ে ১৫০ টি শাখা, ১৩ টি অতি ক্ষুদ্র শাখা এবং ৩ টি আঞ্চলিক কার্যালয় সহ ৪৩ টি এটিএমের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানান।

 ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে নেট লাভ হয়েছিল ১০৪.৯০ কোটি টাকা। তিনি বলেন ২০২৫-২৬ অর্থবছরটি ছিল সার্বিক শক্তির একটি বছর—যেখানে অগ্রিম ঋণ ত্বরান্বিত হয়েছে, ঋণের ব্যয় কাঠামোগতভাবে কমেছে এবং স্থিতিশীল আমানতের ভিত্তির উপর নিট মুনাফা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে মোট ব্যবসা হয়েছে ১৫,৪২২ কোটি টাকা।আমানত ১০,৮৮৯ কোটি টাকা,ঋণ বিতরণ ৪,৫৩২ কোটি টাকা,সিডি রেশিও ৪১.৬২ শতাংশ,নিট মুনাফা ১৮৪.৮৪ কোটি টাকা,গ্রস এনপিএ ২.৮৯% এবং নেট এনপিএ শূন্য।তাঁরা আরও বলেন,ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক রাজ্যের সর্ববৃহৎ শাখা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন, স্বনির্ভর গোষ্ঠী সহায়তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায় ঋণ প্রদান এবং আধুনিক ডিজিটাল পরিষেবা প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল সংবাদমাধ্যম প্রতিনিধিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়। জনগণের কাছে ব্যাংকের বিভিন্ন পরিষেবা, সরকারি প্রকল্প এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগ পৌঁছে দিতে সংবাদমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য