Tuesday, August 11, 2026
বাড়ি রাজ্য এস.এল.পি প্রত্যাহারের করে নিয়মিতকরণের দাবি, নাহলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সমগ্র শিক্ষার শিক্ষকদের

এস.এল.পি প্রত্যাহারের করে নিয়মিতকরণের দাবি, নাহলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সমগ্র শিক্ষার শিক্ষকদের

এস.এল.পি প্রত্যাহারের করে নিয়মিতকরণের দাবি, নাহলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সমগ্র শিক্ষার শিক্ষকদের

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৫ ফেব্রুয়ারি : সুপ্রিম কোর্টে এস.এল.পি প্রত্যাহারের করে রাজ্য সরকারের কাছে নিয়মিতকরণের দাবি সমগ্র শিক্ষার শিক্ষকদের। রবিবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে ত্রিপুরা এস এস এ টিচার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি নিলয় কান্তি সাহা সাংবাদিক সম্মেলন করে এই কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাজ্যের সমগ্র শিক্ষার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দীর্ঘদিনের আর্থিক ও পেশাগত অনিশ্চয়তার বিষয়টি আজ অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। গত কয়েক বছরে বেতন-ভাতা, চাকরির নিরাপত্তা এবং অবসরকালীন সুবিধা সংক্রান্ত নানা সমস্যায় শিক্ষক শিক্ষিকারা গভীরভাবে বিপন্ন হয়ে পড়েছেন।

 ২০১৭ সালের পর থেকে প্রায় চার বছর ধরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন-ভাতা কার্যত স্থবির হয়ে ছিল। নিয়মিত কর্মচারিদের মতো সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা, ডিএ বা ইনক্রিমেন্টের কোনো বৃদ্ধি আমাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি। ২০২১ সালে হাইকোর্টের রায়ের পর রাজ্য সরকারের নিয়মিতকরণের স্কিম চালু হলেও এখনও শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত কম বেতন পাচ্ছেন। গত প্রায় আট বছরে একজন শিক্ষক গড়ে ১০-১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।বর্তমানে অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকার আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। মাসের মাঝামাঝি সময়েই বেতন শেষ হয়ে যাচ্ছে, তার উপর বেতন নিয়মিত সময়মতো প্রদান করা হচ্ছে না। অনেক শিক্ষক কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েও আর্থিক নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত। ইতিমধ্যে প্রায় এক হাজার শিক্ষক অবসর গ্রহণ করেছেন, কিন্তু তারা কোনো পেনশন সুবিধা পাচ্ছেন না। প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট, মানসিক চাপ এবং ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা তাদের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছিল। মৃত্যুর পর তাদের পরিবারগুলি আজ চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তারা আরো জানান, আগামী ৩-৪ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্ট থেকে যদি এসএলপি প্রত্যাহার না করে তাহলে আর কোনরকম অনুমতি চাওয়া হবে না। সরাসরি সমগ্র শিক্ষার অধিকর্তার অফিস ঘেরাও করা হবে এবং সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা হবে জনগণের সামনে। সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্পাদক শৈলেন্দ্র দেববর্মা সহ অন্যান্যরা।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha