স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৪ জানুয়ারি : একটা সময় অনেক স্বপ্ন সাথে নিয়ে তেলিয়ামুড়া তথা রাজ্যের মধ্যে পথচলা শুরু করেছিল বড়মুড়া ইকোপার্ক। সময়ের সাথে এই পার্ক অনেক কিছুর সাক্ষী, এরই মধ্যে নাম বদল হয়েছে। প্রায় প্রত্যেক বছর সরকারের তরফ থেকে তথা পর্যটন দপ্তরের তরফ থেকে দাবি সামনে আসে রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন ক্ষেত্র গুলোকে বিকশিত করার জন্য সরকারের উদ্যোগ জারি রয়েছে। তবে একেবারে জাতীয় সড়ক লাগোয়া, বড়মুড়া বা হাতাই কতর ইকোপার্ক যেন আজ অন্য কথা বলছে। এই পার্ক তথা পিকনিক স্পট ক্রমান্বয়ে সাধারণ মানুষের আকর্ষণ হারাচ্ছে। এই কথা কথা বলছেন যারা কোন না কোন ভাবে পার্কের সাথে যুক্ত বা পরিচালন ব্যবস্থার সাথে যুক্ত।
পার্কের পিকনিক পয়েন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রণব দেবনাথ দাবি করেছেন ডিসেম্বর মাস অব্দি যা পরিসংখ্যান তাতে পরিষ্কার বড় মুড়াতে পিকনিকের সংখ্যা কমছে। একই রকম ভাবে পার্কের কর্মী জয়চন্দ্র রূপিণী বলেন আগের মতো মানুষ আসছেন না পার্কে। ঠিক পার্কের সম্মুখে যে ক্যান্টিন বা দোকান রয়েছে তার পরিচালক দীপক দাস দাবি করলেন, পর্যটন দপ্তরের খামখেয়ালিপনা এবং নজরদারির অভাবে ছন্নছাড়া অবস্থা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে মানুষের দাবী পার্কটা ছন্দে অবস্থায় ফিরে আসুক। পার্কে শীত মরশুমে জমে উঠুক গান বাজনা হই হুল্লোড়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হোক। সরকারি কোষাগারে আয় বৃদ্ধি হোক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্তরা যদি এদিকে গুরুত্ব না দিয়ে পায়ের উপর পা তুলে অফিসে চা খেতে আসেন তাহলে পার্কের হাল হাকিকত ফিরবে না। এভাবেই মুছে যাবে পর্যটকদের মন থেকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। এর জবাব কেউ সরকারের কাছে না খুজলেও, মানুষের মনে ঠিকই থেকে যাবে। পর্যটন দপ্তর সব সময় দাবি করে রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রকে উন্নত করার জন্য নিরন্তর প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু বাস্তব অন্য কথা বলছে। সেই পর্যটন দপ্তরের খামখেয়ালী পনাতে যখন বড়মুড়া ইকো পার্কের এই দৈনদশা সামনে আসে তখন কিন্তু পার্কে পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।

