স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩১ ডিসেম্বর : দেরাদুনে চাঞ্চল্যকর খুনের শিকার ত্রিপুরার পড়ুয়া এঞ্জেল চাকমা। ঘটনার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কার সিং ধামির সঙ্গে কথা বলার পর ঘটনার তদন্তে গতি এনেছেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতার কথা একবারের জন্য উল্লেখ না করে তিপরা মথার সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ এবং তাঁর বোন তথা সাংসদ কীর্তি সিং দেববর্মনের তৎপরতার কথা মাইলেজ দিল মথা। বুধবার রাজধানীর চন্দ্র মহলে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিপরা মথার নেতা রাজশ্বর দেববর্মা বলেন, গত নয় ডিসেম্বর ঘটনার পর পুলিশ মামলা নেয়নি। ২৬ ডিসেম্বর এঞ্জেল চাকমার মৃত্যু হয় হাসপাতালে।
তারপর ত্রিপুরায় যখন ওয়াই টিএফ এবং টি এস এফের পক্ষ মশাল বের হয় তখন গোটা দেশের মানুষ জানতে পারে এই ঘটনা সম্পর্কে। তারপর তাদের মহারাজার পক্ষ থেকে এবং সাংসদ কীতি সিং দেববর্মনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং এই বিষয় নিয়ে দিল্লির সঙ্গে কথা বলা হয়। তারপর গোটা দেশের মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করলে এক প্রকার ভাবে চাপে পড়ে মামলা নেয় পুলিশ। রাজশ্বর দেববর্মা আরো বলেন, যেভাবে জাতিবিদ্বেষ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এখনো রয়েছে। সেটা নিয়ে সরকারের অনেক বেশি সচেতন করা প্রয়োজন। পাঠ্যপুস্তকে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আরও বেশি সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য দাবি জানানো হচ্ছে বলে জানান তিনি। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তিপরা মথার নেতা এন্টনি দেববর্মা।

