Tuesday, March 17, 2026
বাড়িরাজ্যজাপানিজ এনকেফালাইটিস সংক্রমণে বিছানায় শয্যাশায়ী মাহি, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা চাইলেন মাহির মা

জাপানিজ এনকেফালাইটিস সংক্রমণে বিছানায় শয্যাশায়ী মাহি, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা চাইলেন মাহির মা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৫ নভেম্বর : বেঁচে থাকার নিরন্তর ইচ্ছেডানা মৃত্যুর পথযাত্রী মাহির। জিবি হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক বিভাগের পি আই সি ইউ -তে দীর্ঘ ষাট দিন লড়াই করে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে মাহি বণিক। বাবা নেই মাহির। মায়ের উপর সংসারের দায়িত্ব। এক ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে ছোট্ট পরিবার মাহির মায়ের। তারা কাঞ্চনপুরের বাসিন্দা। দুজনকেই বড় মানুষ করে তুলবে বলে স্বপ্ন দেখেছিল মাহির মা। কিন্তু জীবনে অভিশাপ হয়ে দাঁড়ালো মাহির বাঁচার পথে মশা বাহিত একটি জটিল ভাইরাস। মাহির বাড়ি কাঞ্চনপুরে

। মাহির পুরো নাম মাহি বনিক। গত দু মাস আগে সাত দিন সংজ্ঞা না থাকা অবস্থায় মাহিকে রেফার করা হয়েছিল জিবি হাসপাতালে। জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে তার সংজ্ঞা ফিরে আসে। চিকিৎসক এবং তার মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রমের কাছে হার মেনেছে দুর্ভাগ্য। চিকিৎসা সাড়া দেয় মাহি। কিন্তু, জিবি হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে ফেরার পর সুস্থ হয়ে ওঠার লড়াইটা যেন খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে মাহির কাছে। মাহি হাসপাতাল থেকে দুমাস পর এক আত্মীয়ের বাড়িতে ফিরেছে। কিন্তু বিছানায় শয্যাশায়ী মাহি। চিকিৎসক জানিয়েছেন মাহির জাপানিজ এনকেফালাইটিস হয়েছে। এই রোগ সাধারণত মশা থেকে হয়। অত্যন্ত মারাত্মক একটি সংক্রমণ এটি।

 প্রথমে তার মস্তিষ্ক জনিত কিছু সমস্যা হয়, তারপর শ্বাসকষ্ট হয়েছিল। তারপর ধীরে ধীরে এই রোগের প্রভাব এতটাই তার দেহে বাড়তে থাকে যে পুরো শরীরের মাংসকে দুমড়ে মুচড়ে গেছে। জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক সহ আশেপাশের কিছু মানুষের সহযোগিতা পেয়ে সঠিকভাবে চিকিৎসা চলছিল মাহির। কিন্তু বর্তমানে মাহিকে ফিজিও থেরাপি মাধ্যমে চিকিৎসা করতে হয়। সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন ঔষধ। এই খরচ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে মাহির মা। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদ মাধ্যমের কাছে আবেদন করল যাতে মেয়ের চিকিৎসার ব্যয় ভার সহ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। না হলে মেয়েকে বাঁচানো কঠিন হবে বলে মনে করছেন তিনি। কারণ তিনি মেয়েকে ফেলে রোজগারের জন্য কোথাও কাজ খুঁজতে যেতে পারছেন না। তাদের জীবনে এক কঠিন সংগ্রাম যেন প্রতি মুহূর্তে চলছে। মুখ্যমন্ত্রী এবং সরকার যদি তাদের দিকে ফিরে তাকায় তাহলে হয়তো পরিবারটি বাঁচার লড়াই খুঁজে পাবে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য