বাড়িরাজ্যবিদ্যারজ্যোতির অভিশাপে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৫০-৬০ জন পড়ুয়া

বিদ্যারজ্যোতির অভিশাপে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৫০-৬০ জন পড়ুয়া

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৬ সেপ্টেম্বর :  বিদ্যারজ্যোতি প্রকল্পের অধীন যুব রাজনগর হাফলং ছড়া টি ই উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ফি দিতে না পারায় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৫০-৬০ জন পড়ুয়া। মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে সরব বাম বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথ। উত্তর জেলার যুবরাজনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্রনাথ অভিযোগ তুলেছেন যে বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প চালুর পর থেকে বহু পড়ুয়া বিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিধায়ক জানান, তিনি নিজেই বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করে বহু স্কুলছুট ছাত্রছাত্রীকে খুঁজে বের করেছেন।

বিশেষ করে হাফলং ছড়া টি ই উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিদ্যালয়টি বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকে বহু ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা অভিযোগ করছেন, স্কুলে নির্দিষ্ট টাকা জমা দিতে না পারায় শিশুদের উপরের ক্লাসে ভর্তি দেওয়া হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে শৈলেন্দ্র চন্দ্রনাথ বলেন, শিক্ষা হচ্ছে মৌলিক অধিকার। অর্থের অভাবে কোনো ছাত্রছাত্রী যেন পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটাই দায়িত্ব। ছাত্রছাত্রীদের নাম-ঠিকানা সহ তথ্য সংগ্রহ করেছি এবং যুবরাজনগর বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে জমা দিয়েছেন। অবিলম্বে এই বঞ্চিত পড়ুয়াদের স্কুলে ভর্তি করাতে হবে। তিনি আরও বলেন, যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন। শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে তা সমাজের জন্য বড় হুমকি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 সংবাদমাধ্যমের সামনে বিধায়ক স্পষ্ট ভাষায় জানান, বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক শিক্ষা প্রদান করা। অথচ বর্তমানে সেই প্রকল্পই অনেক শিশুর শিক্ষার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। তাই তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। শেষমেষ, বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্রনাথ দৃঢ়ভাবে বলেন— কোনো পড়ুয়া অর্থের অভাবে স্কুল থেকে ছিটকে যাবে, তা কখনোই মেনে নেওয়া হবে না।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য