স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ৬ অক্টোবর : মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে চিতার সংখ্যা বাড়ছে। এবার ভারতে জন্মানো একটি মাদী চিতা জন্ম দিল ৫টি চিতা শাবকের। যার ফলে এদেশে মোট চিতার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬০-এ। প্রসঙ্গত, এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ভারতে জন্মানো একটি মাদী চিতা জন্ম দিয়েছিল ৪টি চিতা শাবকের। সব মিলিয়ে এপর্যন্ত ৪১টি শাবক জন্ম নিল দেশে।
কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব কুনো জাতীয় উদ্যানের নতুন সাফল্যের কথা জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, কেজেপি২১ নাম্নী এক চিতা, যে ভারতেই জন্ম নিয়েছিল, তার গর্ভেই জন্মেছে এই চিতা শাবকগুলি। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, মুখী ও কেজেপি১২-এর পর কেজেপি২১ হল ভারতে জন্ম নেওয়া তৃতীয় মাদী চিতা। তার পাঁচটি শাবকের জন্ম ভারতে গড়ে উঠতে থাকা চিতা গোষ্ঠীতে আরও একটি প্রজন্মের সংযোজন ঘটাল। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব ‘প্রজেক্ট চিতা’-র সঙ্গে যুক্ত দলগুলির নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
শাবকগুলির জন্ম যে চিতার ঔরসে, সেটিকে অবশ্য বোৎসোয়ানা থেকে এদেশে নিয়ে আসা হয়েছিল। আর সেই কারণেই শাবকগুলির জন্মকে আলাদা গুরুত্বও দেওয়া হচ্ছে। কেননা এর ফলে বোৎসোয়ানা থেকে আগাত চিতাদের বংশের সূচনা হল কুনোতে।
২০১৯ সালে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় ফেরে মোদি সরকার। এরপরই সূচনা ‘প্রোজেক্ট চিতা’র। ২০২২ সালে নামিবিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মোট ১০টি চিতা আনা হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে। পরবর্তী সময়ে নানা দেশ থেকে মোট ২০টি চিতাকে ভারতে আনা হয়েছিল। তখন থেকেই পরিবেশবিদদের নজর ছিল এদিকে। বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন পরিবেশে মাত্র ৪০ শতাংশ চিতাই বাঁচতে পারে। সেই হিসেবে চিতার নিরাপদ বাসস্থান হিসেবে ভারত এগিয়ে। এটাই ‘প্রোজেক্ট চিতা’র বড় সাফল্য। এর সঙ্গেই শাবকজন্ম ঘিরে সংখ্যায় আরও বাড়ছে চিতারা। যা আশাপ্রদ।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান