স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ৬ অক্টোবর : অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচন কমিশন। নিশানায় মূলত ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সাংসদদের সেই যৌথ অভিযানকে মঞ্চ বানিয়ে রাহুল গান্ধী আরএসএস, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একসুরে বেঁধে দিলেন। রাহুল গান্ধী কমিশনের উলটো দিকে আকাশবাণী ভবনে ধরনা দিচ্ছেন। সেখান থেকেই তিনি হুঁশিয়ারির সুরে বলে গেলেন, “কেউ ছাড় পাবে না। সবাইকে ধ্বংস করে দেব।”
আকাশবাণী ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একসূত্রে বেঁধে রাহুল গান্ধী বললেন, “আমি এখানে আছি দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য। আরও ৩০০ জন সাংসদ এখানে এসেছিলেন। তাঁরাও গণতন্ত্রকে বাঁচাতে চান। নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, মোহন ভাগবত এবং জ্ঞানেশ কুমার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন।” রাহুলের দাবি, “যে কাণ্ডটা দেশে ঘটেছে সেটা দেশদ্রোহিতা, বিশ্বাসঘাতকতা। কেউ ছাড় পাবেন না।”
লোকসভার বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন, “আমরা ৩০০ জন সাংসদ এসেছি। আমরা এই দেশের জনগণের প্রতিনিধি। কেন নির্বাচন কমিশনাররা আমাদের সঙ্গে দেখা করছেন না। কেন জ্ঞানেশ কুমার আমাদের সঙ্গে দেখা করবেন না।” রাহুল বলছে, “নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, মোহন ভাগবতরা ভোট চুরি করে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে হাইজ্যাক করে নিয়েছেন। বুঝতে পাচ্ছি না দেশে হচ্ছেটা কী? নির্বাচন কমিশনার যদি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা না করে, তাহলে কেমন গণতন্ত্র।”
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন অভিযান করে ইন্ডি জোট। লোকসভার বিরোধী রাহুল গান্ধীর সঙ্গে এদিন মিছিলে পা মেলান সম্মিলিত বিরোধী জোটের সাংসদরা। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপ্রিয়া সুলে-সহ জোটের শীর্ষ নেতারা মিছিলে হাঁটেন। তবে আপ এবং ডিএমকের কোনও প্রতিনিধি ছিলেন না। শেষে ইন্ডি সাংসদদের আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। বাধা পেয়ে কমিশনের উলটো দিকে আকাশবাণী ভবনের সামনে ধরনায় বসেন বিরোধী সাংসদরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান