Monday, September 28, 2026
বাড়ি জাতীয় প্রায় গোটা পাহাড় ভেঙেছে রিম্বিতে! ধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিমে বন্ধ বহু রাস্তা

প্রায় গোটা পাহাড় ভেঙেছে রিম্বিতে! ধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিমে বন্ধ বহু রাস্তা

প্রায় গোটা পাহাড় ভেঙেছে রিম্বিতে! ধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিমে বন্ধ বহু রাস্তা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বর : পুজোর মুখে দুর্যোগের ঘনঘটা। ভারী তুষারপাতের জেরে শুক্রবার রাত থেকে অবরুদ্ধ উত্তর সিকিমের একাধিক রাস্তা। শনিবার ভূমিধসে বিধ্বস্ত ১০ নম্বর বন্ধ রেখে মেরামতের কাজ করে ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড। সিকিমগামী গাড়িগুলো গরুবাথান হয়ে ঘুরিয়ে দেওয়ায় পর্যটকরা বিপাকে পড়েন। এদিকে ভূমিধসে পুরোপুরি বিধ্বস্ত পশ্চিম সিকিমের রিম্বি এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। শনিবারও কাদা ও পাথরের স্রোত আছড়ে পড়েছে জনপদে। প্রায় গোটা পাহাড় ভেঙে পড়েছে রিম্বি এলাকায়। শনিবারও ওই এলাকায় জলের সঙ্গে কাদার স্রোত উপর থেকে নেমে এসেছে। নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষজনদের।


ভারী তুষারপাতের কারণে ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করে নেপাল সরকার সেখানকার উঁচু পাহাড়ি এলাকায় পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধ রেখেছে। অথচ, উল্টো ছবি সিকিমে। সেখানে পর্যটকের ঢল নেমেছে। ওই পরিস্থিতি দেখে কে বলবে ভূমিধসের পাশাপাশি উত্তর এবং পূর্ব সিকিমের উঁচু এলাকায় বিপজ্জনকভাবে ভারী তুষারপাত চলছে। ইতিমধ্যে ইউমথাং থেকে জিরো পয়েন্টগামী রাস্তা ১ হাজার ৩০০ ফুটের উপরের অংশ কয়েক ফুট গভীর বরফে তলিয়ে অবরুদ্ধ হয়েছে। তুষারপাতের জন্য জিরো পয়েন্ট-ডঙ্গিলা রাস্তাও অবরুদ্ধ। চুংখাঃ থেকে লাচেনগামী রাস্তা চ্যাপটেন এলাকায় ভূমিধসে বিধ্বস্ত হয়েছে। 


লাচেন থেকে থাঙ্গুগামী রাস্তা ভূমিধসে পুচি এলাকায় অবরুদ্ধ হয়েছে। থাঙ্গু থেকে গুরুডংমার চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। রাকদুং-টিনটেক হয়ে মঙ্গন থেকে গ্যাংটকগামী রাস্তা ইএমএল মর্চের কাছে ৮ মাইলে বন্ধ আছে। শনিবার উত্তর এবং পূর্ব সিকিমের নানু-বলায় পর্যটকদের রেকর্ড ভিড় জমেছে। বরফে ঢাকা সড়কপথে বিপজ্জনক ‘ব্ল‍্যাক আইস’ দেখা দিলেও তোয়াক্কা করছেন না কেউ। এদিকে শনিবার ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের সেবক ও রংপোর মধ্যে ৫২ কিলোমিটার এলাকায় ছয় ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। দিনভর সড়ক মেরামতের কাজ চলে।


অন্যদিকে, পশ্চিম সিকিমের রিম্বি এলাকায় ফের ভূমিধসের বিপর্যয়ের আশঙ্কায় ৩০টি বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বসে নেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। দার্জিলিং পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা, তোর্সা-সহ বিভিন্ন পাহাড়ি নদীতে বারবার হড়পা বানের ঝুঁকি এবং পাহাড়ি শহরগুলোর পরিকল্পিত সম্প্রসারণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে।


Subrata Debnath
Subrata Debnath https://syandanpatrika.in
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha