স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ০৫ফেব্রুয়ারি : আওয়ামি লিগের ভোটারদের ৪৮ শতাংশ এবার বিএনপিকে ভোট দেবে বলে দাবি সমীক্ষায়। অন্যদিকে, প্রথমবার ভোট দেবেন এমন ভোটারদের ৩৭.৪ শতাংশের পছন্দ জামাত। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি ভোটার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে চান। এর মধ্যে ৩০.২ শতাংশ শুধু প্রার্থী এবং ৩৩.২ শতাংশ ভোটার প্রার্থী ও দল-উভয় বিষয়ই বিবেচনা করছেন।
বুধবার ঢাকায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে ‘আনকভারিং দ্য পাবলিক পালস: আ নেশনওয়াইড সার্ভে’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাজ্যের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর ড. এম. নিয়াজ আসাদুল্লাহ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের অধ্যাপক ড. সাবের আহমেদ চৌধুরি। প্রতিবেদনে দেশব্যাপী ১১ হাজারের বেশি মানুষের উপর চালানো একটি সমীক্ষার ভিত্তিতে আসন্ন নির্বাচনে মানুষের ভোটদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন আচরণগত দিক ও সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। সেই সঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে কিছু সুস্পষ্ট পরামর্শ উঠে আসে।
উল্লেখ্যে, একদিকে কট্টরপন্থী জামাত, অন্যদিকে বিএনপি-আওয়ামি’ জোট’। ভেটের মুখে এই দিকেই বাঁক নিচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতি! মঙ্গলবার মাদারিপুরের শিবচরে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থনে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান তুলে ভোট চাইলেন আওয়ামি লিগের ২০ জন নেতাকর্মী। মৌলবাদীদের রুখতে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ‘শত্রু’র পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল।
মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগ। হাসিনার দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী হয় দেশছাড়া, নয় তো দেশের মধ্যেই গা-ঢাকা দিয়ে আছেন। এমনই পলাতক ২০ জন আওয়ামি নেতা-কর্মী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জরো হন শিবচর পৌরসভার খান বাড়িতে অনুষ্ঠিত একটি ‘উঠান বৈঠকে’। তাঁরা দাবি করেন, সাবেক চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরি লিটনের নির্দেশে ধানের শীষের (বিএনপির প্রতীক) প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে সমর্থন জানাচ্ছেন। আওয়ামি লীগের এমন প্রচারকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

