কলকাতা,
১৫
জুলাই
(হি.স.):
ফেভারিট
তকমা
নিয়ে
এবারের
বিশ্বকাপ
শুরু
করেছিল
ফ্রান্স-স্পেন।
বিশেষ
করে
ফ্রান্স
অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিল। সেই
ফ্রান্স
পাত্তাই
পেল
না
সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে। এমবাপ্পে-ডেম্বেলেদের ফ্রান্সকে ২-০
গোলে
হারিয়ে
বিশ্বকাপের
ফাইনালে
জায়গা
করে
নিল
স্প্যানিশরা।
এর আগে
২০১০
বিশ্বকাপের
ফাইনালে
খেলেছিল
স্পেন।
সেবার
নেদারল্যান্ডসকে ১-০ গোলে
হারিয়ে
শিরোপা
জিতেছিল
স্প্যানিশরা। আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
হওয়ার
হাতছানি
লামিনে
ইয়ামালদের
সামনে।
এই নিয়ে
টানা
তিন
সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারাল স্পেন।
আগের
দুইবার-
২০২৪
ইউরোপিয়ান
চ্যাম্পিয়নশিপে ও ২০২৫ সালের
উয়েফা
নেশন্স
লিগে।
ডালাসে
মঙ্গলবার
প্রথম
সেমিফাইনালে গোছানো ফুটবল খেলে
ফ্রান্সকে
হারিয়ে
শিরোপা
লড়াইয়ে
পা
রাখল
স্প্যানিশরা।
শুরু
থেকেই
ম্যাচের
নিয়ন্ত্রণ
ছিল
স্পেনের
দখলে।
টুর্নামেন্টে আগের ছয় ম্যাচে
১৬
গোল
করা
ফ্রান্সকে
এদিন
খুব
বেশি
সুযোগই
তৈরি
করতে
দেয়নি
স্প্যানিশ
রক্ষণ।
ডিফেন্ডার
মার্ক
কুকুরেয়া
ও
গোলরক্ষক
উনাই
সিমনের
দুর্দান্ত
পারফরম্যান্সে বারবার ব্যর্থ হন
কিলিয়ান
এমবাপেরা।
ম্যাচের
২০
মিনিটে
ইয়ামাল
ফাউলের
শিকার
হলে
পেনাল্টি
পায়
স্পেন।
সফল
স্পট
কিক
থেকে
মিকেল
ওইয়ারসাবাল
গোল
করে
দলকে
এগিয়ে
দেন।
এরপর
বিরতির
আগে
আরও
কয়েকটি
ভালো
সুযোগ
পেলেও
ব্যবধান
বাড়াতে
পারেনি
স্পেন।
অন্যদিকে
সমতায়
ফিরতে
পারেনি
ফ্রান্সও।
১-০
ব্যবধানে
এগিয়ে
থেকেই
প্রথমার্ধ
শেষ
করে
স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮ মিনিটে দানি
ওলমো
ও
পেদ্রো
পোরোর
দারুণ
বোঝাপড়ায়
ব্যবধান
দ্বিগুণ
করে
স্পেন।
শেষদিকে
একের
পর
এক
আক্রমণ
চালায়
ফ্রান্স।
তবে
তাদের
সামনে
বাধা
হয়ে
দাঁড়ান
গোলকিপার
উনাই
সিমন।
শেষ
পর্যন্ত
নিজেদের
জাল
অক্ষত
রাখেন
স্প্যানিশরা। ২-০ গোলের
জয়
নিয়ে
২০১০
সালের
পর
প্রথমবার
বিশ্বকাপের
ফাইনালে
উঠলো
স্পেন।আগামী ১৯ জুলাই
নিউইয়র্ক–নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
সেখানে
স্পেনের
প্রতিপক্ষ
হবে
ইংল্যান্ড
অথবা
আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে ১৮ জুলাই
তৃতীয়
স্থান
নির্ধারণী
ম্যাচে
মাঠে
নামবে
ফ্রান্স।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!