স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ১৪ আগস্ট : কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের মাধ্যমে বহিঃরাজ্যের সঙ্গে জুড়ে গেল জোলাইবাড়ী বাসী। জুলাইবাড়ি রেল স্টেশন থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের সুবিধা মিলবে এখন। বৃহস্পতিবার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের জোলাইবাড়ি নতুন ষ্টপেজের শুভ সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া, শান্তির বাজার মহকুমা শাসক মনোজ কুমার সাহা এবং জোলাইবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত সহ অন্যান্যরা। দক্ষিন জেলায় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস চালু হবার পর ট্রেনটি জোলাইবাড়ী রেল ষ্টেশন অতিক্রান্ত হয়ে সাব্রুম পৌঁছাতো।
কিন্তু জোলাইবাড়ীতে কোনোপ্রকার স্টপেজ না থাকার কারনে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস জোলাইবাড়ীতে না দাঁড়িয়ে চলে যায়। এতে করে জোলাইবাড়ীর লোকজনদের বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হতে হতো। তাই জুলাইবাড়ী বাসীর সুবিধার্থে মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর নিকট জোলাইবাড়ীতে স্টপিজের দাবি করেছিলেন। মন্ত্রীর শুক্লাচরন নোয়াতিয়ার অনুরোধে সাড়া দিয়ে জোলাইবাড়ীতে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের নতুন স্টপিজ দেওয়ার সিলমোহর দিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার থেকে এই নতুন স্টপিজ কার্যকর হয়।
নতুন স্টপিজ পাবার খুশিতে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে জোলাইবাড়ী রেল ষ্টেশনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জোলাইবাড়ীতে রেলপরিষেবা প্রদানে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী, সাংসদ বিপ্লবকুমার দেব, রাজ্যের পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসার ডাক্তার মানিক সাহাকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া। মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দাবি করেন রাজ্যে রেল পরিষেবা, সড়ক পরিষেবা, উড়ান পরিষেবা এবং ইন্টারনেট পরিষেবা সহ প্রত্যেক ক্ষেত্রে ত্রিপুরায় উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। মন্ত্রী আরো বলেন, খুব উন্নতমানের জাতীয় সড়কের সাথে ত্রিপুরা যুক্ত হচ্ছে। ত্রিপুরা বর্তমানে বিনা আন্দোলনে এবং বিনা রাজনৈতিক প্রতিবাদে উন্নয়ন হচ্ছে। এ সরকার প্রত্যেক নাগরিকের স্বার্থে কাজ করে চলেছে বলে জানান মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বক্তাদের বক্তব্য শেষে সাব্রুম থেকে আগত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে জোলাইবাড়ী রেলষ্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। জোলাইবাড়ী রেলষ্টেশনে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের আগমনকে কেন্দ্র করে জোলাইবাড়ীবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা গেছে এদিন।

