স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ৭ আগস্ট : ঊনকোটি জেলার গৌরনগর আরডি ব্লকের অন্তর্গত হীরাছড়া এডিসি ভিলেজের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কুকুরের মাংস খাওয়া এবং পোষা কুকুর বিক্রিকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ঘটনায় দুই পক্ষের মোট ৭ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন। আহতরা বর্তমানে ভগবান নগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানা যায়, কিছুদিন আগে হীরাছড়া এলাকায় কুকুর কেটে খায় এবং পোষা কুকুর বিক্রির অভিযোগ ওঠে তিনজনের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্তদের মধ্যে পিন্টু দাস নামে একজন ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল। অভিযোগ, বুধবার রাতে পিন্টু দাসের সাঙ্গোপাঙ্গ ও পরিবার পরিজন ঐক্যবদ্ধভাবে অভিযোগকারী রাজারাম নুনিয়া মুন্ডার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে রাজারাম নুনিয়ার স্ত্রী সূর্যি গৌড়, গোলাপ চাষা, বুধন চাষা ও সুলতান আলী সহ আরও কয়েকজন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গোলাপ চাষা, তার ছোট ভাই এবং সুলতান আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে, ফলে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে, পিন্টু দাসের আত্মীয়দের পাল্টা অভিযোগ—রাজারাম নুনিয়া মুন্ডা ও তার লোকজন চন্দন দাসের বাড়িতে হামলা চালায়। এই হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে চন্দন দাস ও সমা বাউরী আহত হন।
চন্দন দাসের চোখে গুরুতর চোট লাগে বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর পেয়ে কৈলাসহর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক জয়ন্ত কর্মকারের নেতৃত্বে কৈলাসহর থানা এবং ইরানি থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ সূত্রে গেছে, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

