স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা, ২৪ জুন : দেশের জরুরী অবস্থার বিষয়ে নতুন প্রজন্মকে অবগত করার জন্য উদ্যোগ নিল বিজেপি। মঙ্গলবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় বিজেপির পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে দেশের জরুরী অবস্থার বিষয়ে তুলে ধরা হয়। খয়েরপুরস্থিত বিজেপি সদর গ্রামীণ জেলা অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রদেশ বিজেপির সহ সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য জানান ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে আভ্যন্তরীণ জরুরী অবস্থা জারি করেছিলেন।
সংবিধানকে নিস্ক্রিয় করে মন্ত্রীসভাকে ঘুমে রেখে একনায়কতন্ত্র ভাবে তিনি জরুরী অবস্থা জারি করেন। ২৬ জুন দেশের সকালে দেশের মানুষ রেডিওর মাধ্যমে দেশে আভ্যন্তরীণ জরুরী অবস্থা জারির বিষয়ে জানতে পারে। ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধী পরিবার একছত্র আধিপত্য কায়েম করতে এবং বিরোধীদের দমন করে রাখার জন্য এই জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছিল। কিন্তু সেই জয়লাভের পর ইন্দিরা গান্ধীর প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ নারায়ন এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা করেন ইন্দিরা গান্ধী প্রশাসনিক শক্তি কাজে লাগিয়ে জয়লাভ করেছেন।
১৯৭৪ সালে সেই মামলার রায়ে ইন্দিরা গান্ধিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। স্বাভাবিক ভাবেই ইন্দিরা গান্ধী আর ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। তাই আভ্যন্তরীণ অশান্তির অজুহাত দেখিয়ে ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন ইন্দিরা গান্ধী দেশে আভ্যন্তরীণ জরুরী অবস্থা জারি করেছিলেন। এদিকে প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে এই জরুরি অবস্থা নিয়ে কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী। তিনি বিভিন্ন ইস্যুর টেনে কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন।

