স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৭ সেপ্টেম্বর : দেশে চতুর্থ রাজ্য হিসেবে ত্রিপুরায় চালু হল ই-ক্যাবিনেট। ডিজিটাল ভারত’ এই প্রচারাভিযানকে সফল করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার রাজ্যের সমস্ত দপ্তরে ই-ফাইল এবং ই-অফিস ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং তা দ্রুত রূপায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। রাজ্য সরকার সারা রাজ্যে ডিজিটাল পরিকাঠামো গড়ে তুলতে সম্ভাব্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।২ ডিজিটাল পরিকাঠামো উন্নয়নের অঙ্গ হিসাবে রাজ্য সরকার ই-ক্যাবিনেট ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্ৰী কর্তৃক মন্ত্রীসভার ক্যাবিনেট বৈঠকে স্থান দেওয়া সমস্ত কিছু অনলাইনে করা হবে। ই-ক্যাবিনেট অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে। মন্ত্রীসভার স্মারকলিপি এবং কার্য বিবরণীকে সম্পূর্ণভাবে কাগজবিহীন করে ই-ক্যাবিনেট ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে শুরু করে বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট যন্ত্রীগণ, মুখ্য সচিব, বিভিন্ন দপ্তরের সচিবগণের উপস্থিতিতে মন্ত্রীসভার কার্যবিবরণী ই-ক্যাবিনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট যন্ত্রীসভার সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিতে পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টিও ই-ক্যাবিনেটের মাধ্যমে পরিচালনা হবে। ই-ক্যাবিনেট অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যবহারকারীরা অনুমোদিত কম্পিউটারে লগ-ইন করে এই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে পারবে। এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সমস্ত ক্যাবিনেট মেমোরেন্ডামে দিনক্ষণ সহ সমস্ত তথ্য আপলোড করা যাবে। মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রেখে বলেন ই -ক্যাবিনেট পরিষেবা চালু হওয়ার ফলে কাজে আরো বেশি গতি আসবে। এবং সমস্ত তথ্য সুরক্ষিত থাকবে। পরবর্তী সময় যাদের অতীতের তথ্যের প্রয়োজন হবে তারাই কম্পিউটার থেকে তথ্য বের করতে পারবে। এর ফলে মিশন মুডে কাজ হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। নতুন এই সিস্টেমটি চালুর ফলে মন্ত্রীসভার ক্যাবিনেট বৈঠকে দক্ষতা ও গতি আসবে। এই অ্যাপ্লিকেশনটি মন্ত্রী পরিষদের কার্যধারায় সুরক্ষা এবং গোপনীয়তার একটি অতিরিক্ত স্তরে নিয়ে যাবে। এই পরিষেবার মাধ্যমে মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। রাজ্যে মোট ৯৪ টি দপ্তরকে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে। তার মধ্যে আজ ৪১ টি দপ্তর সম্পূর্ণ করেছে। অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকারের যে সমস্ত দপ্তর কাগজবিহীন অফিস চালানোর উদ্যোগের অঙ্গ হিসাবে ই-অফিস পদ্ধতিকে ১০০ শতাংশ কার্যকরী করেছে সেই সমস্ত দপ্তরকে সম্মাননা জানানো হচ্ছে।আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় শংসাপত্র।

