বাড়িরাজ্যগণতন্ত্র বিরোধী এবং জনগণের শত্রু এই সরকারকে বিতাড়িত করতে হবে : জিতেন্দ্র

গণতন্ত্র বিরোধী এবং জনগণের শত্রু এই সরকারকে বিতাড়িত করতে হবে : জিতেন্দ্র

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৬ সেপ্টেম্বর :  গত বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘিষ্ঠ মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করেছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের। একটা অংশের অবিবেচনা প্রসূত, জনবিরোধী ও রাজনৈতিক প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে রাজ্যে ঠগ, বাটপারের সরকার পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার রাজধানীর অফিস লেন স্থিত ত্রিপুরা খেতমজুর ইউনিয়নের সভায় বক্তব্য রেখে এমনটাই বললেন সিপিআইএম দলের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজ্যে নতুন করে এসেছে তফাজ্জল মডেল।

তিনি বক্সনগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো বক্সনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ছয় মাস আগে ৫ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন সিপিআইএম প্রার্থী শামসুল হক, ছয় মাস পরে উপনির্বাচনে তিন হাজার ভোট পেয়েছে মাত্র সিপিআইএম প্রার্থী। কারণ সেখানে চলছে অরাজকতা। মানুষকে ভোট দিতে দেয়নি। আর এখন বিধায়ক হয়ে তোফাজ্জল হোসেন থানায় গিয়ে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। তিনি নিজেকে মুখ্যমন্ত্রী ভাবতে শুরু করেছেন। এবং নিজ বিধানসভা কেন্দ্রকে মন্ত্রিসভা বানাতে শুরু করেছেন। এদিন জিতেন্দ্র চৌধুরী সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে আরো অভিযোগ তুলেন এডিসি এলাকায় ভিলেজ কমিটির ভোট হচ্ছে না।

বিজেপি এবং তিপ্রা মথা সেখানে নিজের মত করে লুট করছে। রাজ্যের মানুষের অধিকার লুণ্ঠন করছে। আর এটাই সুশাসন, গণতন্ত্র এবং বিজেপি মডেল বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। আয়োজিত সভায় শ্রী চৌধুরী বলেন, ১০০ দিনের রেগা কাজ শ্রমিকদের অধিকার। কিন্তু ৪২ থেকে ৪৩ দিন কাগজে কলমে কাজ হচ্ছে, যদিও আরো অনেক কম দিন কাজ মিলছে শ্রমিকদের। এবং কাজ মিলছে মুষ্টিমেয়। যাদের নামের পেছনে মন্ডল, মোর্চা যুক্ত রয়েছে সেই সব রাঘব বোয়ালরা সব অর্থ রাশি গিলছে বলে অভিযোগ তুলেন তিনি। আরো বলেন যাদের গত ছয় বছর আগে ভাঙার সাইকেল ছিল না, তাদের বাড়িতে আজ দ্বিতল ত্রিতল ভবন গড়ে উঠেছে। এবং দামি দামি গাড়ি নিয়ে তারা ঘোরাফেরা করছে। বিশেষ করে কৃষ্ণনগর এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গেলে দেখা যায় তাদের গাড়ি রাখার জায়গা নেই। তাই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দেশ থেকে গণতন্ত্র বিরোধী এবং জনগণের শত্রু এই সরকারকে বিতাড়িত করতে সকলকে প্রস্তুত হতে হবে বলে জানান জিতেন্দ্র চৌধুরী। আয়োজিত সভা থেকে আওয়াজ তোলা হয়েছে রেগাতে বছরের ২০০ দিনের কাজ, দৈনিক মজুরি ছয় শতাধিক টাকা করা এবং কৃষি ও শ্রমিকদের জন্য পেনশন প্রকল্প চালু করার। আয়োজিত এ দিনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সর্বভারতীয় নেতৃত্ব বি বেকট, বিজয় রাঘবন এবং রাজ্য নেতৃত্ব ভানু লাল সাহা সহ অন্যান্যরা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য