স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৬ আগস্ট : মুখ্যমন্ত্রীকে বদনাম করতে কাউন্সিলরের নির্দেশে চলছে পুরনো বিজেপি কর্মীদের কাছে চাঁদার জুলুম। আর খাই মিটিয়ে না দেওয়ায় মদমত্ত হয়ে বাড়িতে আক্রমণ করছে শাসকদের নব্য নেতারা। ঘটনার বিবরণে জানা যায় ৮ নং টাউন বড়দোয়ালি বিধানসভা কেন্দ্রের সুভাষপল্লী কৌরবস ক্লাব এলাকায় ক্লাবের প্রাক্তন সম্পাদক রাজেশ দে -র বাড়িতে শনিবার রাতের বেলা এলাকার নব্য মাফিয়ারা আক্রমণ সংগঠিত করে।
রাজেশ দে ছিলেন একসময় বিজেপির ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের সম্পাদক। অভিযোগ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে শাসক দলের প্রাক্তন ওয়ার্ড সম্পাদকের বাড়িতে হামলা করলো এলাকার কতিপয় বিজেপি কর্মী। অভিযোগ ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৫ নম্বর বুথ সভাপতি বাপী দে, রাজীব দাস সহ কয়েক জন মিলে শনিবার রাত আনুমানিক ১২ টা সাড়ে বারোটা নাগাদ রাজেশ দের বাড়ির গেটে গিয়ে গালিগালাজ করে। সমস্ত ঘটনা বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। বাড়ির লোকজন এর প্রতিবাদ জানায়। এদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ। এবং রাজেশের মাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। প্রাক্তন ওয়ার্ড সম্পাদকের অভিযোগ ২০২৩ নির্বাচনের পরে এলাকায় নতুন নতুন নেতার সৃষ্টিতে এলাকায় অশান্তি বিরাজ করছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন রাখেন এসব যাতে বন্ধ হয়। ঘটনা জানিয়ে থানায় মামলা করবেন বলে জানান রাজেশ দে। তিনি এদিন অভিযোগ, বিভিন্ন জনের বাড়িতে হামলা , দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার মতো অপরাধ করেছে দলের এই নব্যরা। তখন তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর জেরে এই ঘটনা বলে মনে করছেন তিনি। বদনাম করছে বিজেপির। যদিও তোলাবাজি, সন্ত্রাস বন্ধে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা আগেই করা বার্তা দিয়েছেন। এজন্য গঠন করেছেন আরক্ষা কর্মীদের বিশেষ টিমও। অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর কড়া দাওয়াইয়ের পরেও বিভিন্ন জায়গা থেকে মাঝে মধ্যে এসব ঘটনার অভিযোগ উঠে আসে। এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা এলাকায় তোলাবাজির অভিযোগ উঠল। কিন্তু রাজ্যে এক সময় বাইক বাহিনীর তান্ডব ছিল। কিন্তু বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে কোন ধরনের বাইক বাহিনীর তান্ডব রাজ্যের সংঘটিত হয়নি বলা চলে। কিন্তু এরই মধ্যে কিছু দিশেহারা তোলাবাজ মুখ্যমন্ত্রীকে এবং বর্তমান সরকারকে কালিমা লিপ্ত করতে উঠে পড়ে লেগেছে। যার কারণে এবার এ ধরনের ঘটনা সংঘটিত করছে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। এদিকে সূত্রে খবর এলাকায় চলছে মানিকপন্থী এবং বিপ্লবপন্থীর মধ্যে লড়াই। এর পেছনে মদত দিচ্ছেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী গুরু শ্রী পাল। আর এই গোষ্ঠীর লড়াই জন কতদূর গড়ায় সেটা এখন দেখার।

