Friday, February 6, 2026
বাড়িখেলা১৩ ছক্কায় পুরানের ৫৫ বলে ১৩৭ রানের তাণ্ডব

১৩ ছক্কায় পুরানের ৫৫ বলে ১৩৭ রানের তাণ্ডব

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক,৩১ জুলাই: ম্যাচ শেষ করে দলকে শিরোপা জিতিয়ে অপরাজিত থেকেই ফিরলেন পুরান। তার নামের পাশে তখন জ্বলজ্বল করছে ১০ চার ও ১৩ ছক্কায় ৫৫ বলে ১৩৭! পুরানের বিস্ফোরক এই ইনিংসেই যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটের প্রথম আসরের শিরোপা জিতল এমআই নিউ ইয়র্ক। আইপিএল দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মালিকানাধীন দল এটি। বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে ডালাসে এই ম্যাচে কুইন্টন ডি ককের ৫২ বলে ৮৭ রানের ইনিংসে সিয়াটল ওর্কাস ২০ ওভারে তোলে ১৮৩ রান। রান তাড়ায় পুরানের রান উৎসবে নিউ ইয়র্ক ২৪ বল বাকি রেখেই জিতে যায় ৭ উইকেটে। এই ম্যাচ ও পুরানের এমন ইনিংস অবশ্য রেকর্ড বইয়ে থাকবে না। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আসর নয় এই টুর্নামেন্ট। ৬ দলের টুর্নামেন্টে প্রাথমিক পর্বে ৫ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টি জিতে চতুর্থ স্থানে থেকে কোনোরকমে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছিল নিউ ইয়র্ক। তারাই পরে এলিমিনেটর ও দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার জিতে শেষ পর্যন্ত জিতে নিল ফাইনালও। প্রাথমকি পর্বের পর এই শেষ তিন ম্যাচে দলটি পায়নি তাদের নিয়মিত অধিনায়ক কাইরন পোলার্ডকে। ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে দলকে ট্রফি এনে দিলেন পুরান। আগের দুই ম্যাচে দল জিতলেও তিনি রান পাননি। ফাইনালে নিজে জ্বলে উঠেই দলকে এনে দিলেন শিরোপা। 

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা সিয়াটলের ইনিংসকে এগিয়ে নেন মূলত ডি ককই। ৩৪ বলে ফিফটি করেন তিনি। সেঞ্চুরির সম্ভাবনাও জাগান ভালোভাবেই। ৯ চার ও ৪ ছক্কায় তার ৮৭ রানের ইনিংস থামে ট্রেন্ট বোল্টের বলে বোল্ড হয়ে। ভালো কিছু করতে পারেননি শেহান জয়াসুরিয়া, হাইনরিখ ক্লসেন, ইমাদ ওয়াসিমরা। মিডল অর্ডারে যুক্তরাষ্ট্রের শুভাম রাঞ্জানে করেন ১৬ বলে ২৯, শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকানন অলরাউন্ড ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস করেন ৭ বলে ২১। সিয়াটলের রান ১৮০ ছাড়িয়ে গেলেও নিউ ইয়র্কের আফগান লেগ স্পিন তারকা রশিদ খান ৪ ওভারে স্রেফ ৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। বোল্ট ৩ উইকেট নেন ৩৪ রান দিয়ে। রান তাড়ায় তৃতীয় বলেই ওপেনার স্টিভেন টেইলরকে বোল্ড করে দেন ইমাদ ওয়াসিম। পুরান তিনে নেমে প্রথম বলে রান নিতে পারেননি। পরের দুই বলেই মারেন ছক্কা। 

তার ধ্বংসযজ্ঞ আরও বাড়ে সময়ের সঙ্গে। তৃতীয় ওভারে প্রিটোরিয়াসকে টানা পাঁচ বলের মধ্যে মারেন তিন ছক্কা ও দুই চার। ক্যামেরন গ্যাননের বলে টানা দুই ছক্কায় ফিফটি স্পর্শ করেন ১৬ বলেই। এবারের আসরের যা দ্রুততম পঞ্চাশ। আরেক প্রান্তে ওপেনার শায়ান জাহাঙ্গির আউট হয়ে গেলেও পুরান চাপটুকু উড়িয়ে দেন অ্যান্ড্র টাইকে এক ওভারে তিন ছক্কা মেরে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে রান আসে ২৭ বলে ৬২, যেখানে জাহাঙ্গিরের রান স্রেফ ১১ বলে ১০। তৃতীয় উইকেট জুটির রান ৪৪ বলে ৭৫, যেখানে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের অবদান কেবল ১৮ বলে ২০। চতুর্থ উইকেটে ২২ বলে ৪৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে টিম ডেভিডের রান ৯ বলে ১০। সব জুটিতেই পুরানের ব্যাট ছিল এতটাই উত্তাল। ব্রেভিস রান আউট হয়ে গেলেও টিম ডেভিডকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের ঠিকানায় নিয়ে যান পুরান। সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন তিনি ৪০ বলে। হারমিত সিংয়ের বলে টানা তিন ছক্কায় দলকে এগিয়ে নেন জয়ের কাছে। তার বাউন্ডারিতেই শেষ হয় ম্যাচ।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য