স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৮ জুলাই : ভাড়া বাড়ির বন্ধ ঘরে পুলিশ পুলিশের অবৈধ প্রেম হাতেনাতে ধরে ফেলেন পুরুষ পুলিশের স্ত্রী। সোমবার রাতে ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় পশ্চিম আগরতলা মহিলা থানায়। ঘটনার বিবরণের জানা যায়, গত সাত থেকে আট বছর ধরে বর্তমানে পুলিশের সদর কার্যালয়ে কর্মরত মহিলা পুলিশ ও পুরুষ পুলিশ দিলীপ সরকার গোপন প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে।
লাল নীল দিবা স্বপ্নে বিভোর হয়ে দিনের মধ্যে একাধিক সময়েই একে অপরের সাথে কাটাচ্ছেন। চলছে ফষ্টিনষ্টি। সবকিছু দুজন আড়াল করার চেষ্টা করলেও এদিন পুলিশ কর্মী দিলীপ সরকারের স্ত্রীর হাতে নাতে ধরা পড়ে যায় রাজধানীর আগন্তু ক্লাব সংলগ্ন মহিলা পুলিশের বাড়িতে। তারপর অভিযুক্ত মহিলা পুলিশ মনিকা দেবনাথ এবং পুরুষ পুলিশ অর্থাৎ স্বামী দিলীপ সরকারের হাতে আক্রান্ত হয় অসহায় স্ত্রী। শেষ পর্যন্ত পুরুষ পুলিশের স্ত্রী স্থানীয় ক্লাবে গিয়ে সহযোগিতা চায়। এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। তখন দুই পুলিশ কর্মী নিজের চেহারা আড়াল করার জন্য ছুটে আসে পুলিশের সদর কার্যালয়ে। সেখানে ছুটে আসে এলাকাবাসী। পশ্চিম মহিলা থানার পুলিশ ছুটে গিয়ে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। থানা থেকে অভিযুক্ত মহিলা পুলিশ পালিয়ে যাওয়ার সময় আবার এলাকাবাসী আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান পুলিশ কর্মী দিলীপ সরকারের স্ত্রী।
তিনি আরো জানান দিলীপ সরকার এই মহিলা পুলিশের প্রেমে পড়ে প্রায়ই পরিবারের মধ্যে অশান্তি করেন। স্ত্রীকে ঘরে মধ্যে দরজা বন্ধ করে রেখে মহিলা পুলিশের সাথে তিনি চটিয়ে প্রেম করতে যান। কিন্তু এই দিন হাতে নাতে ধরা পড়ে যান দুই পুলিশ কর্মী। অভিযুক্ত মহিলা পুলিশ কর্মী চতুর্থ শ্রেণিতে কর্মরত। এফ আই আর মূলে জানা যায় উনার নাম মনিকা দেবনাথ। অভিযুক্ত পুরুষ পুরুষের বাড়ি রামনগর ৪ নং রোড এলাকায়। তারা খাঁকি উর্দির পর্যন্ত কোন সম্মান রক্ষা করতে পারেনি এদিন। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে অসহায় গৃহবধূ সহ এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। এবং দুই পুলিশ কর্মীর সন্তান থাকার পরেও এই ধরনের গোপন প্রেমে ছিঃ ছিঃ রব উঠেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

