বাড়িরাজ্যবিরোধী দলনেতার কুরুচিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে নিঃশর্তে ক্ষমা চাইতে দাবি করলেন আমলাদের...

বিরোধী দলনেতার কুরুচিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে নিঃশর্তে ক্ষমা চাইতে দাবি করলেন আমলাদের সংগঠন

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৬ জুলাই :চোত্তাখলায় বামেদের মিছিল রুখে দেওয়ায় বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপার আই.পি.এস মৌর্য কৃষ্ণ সি-কে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে করলেন আই.এ.এস এসোসিয়েশন ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের রাজেশ কুমার দাস, আই.পি.এস এসোসিয়েশন ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের আর. ডারলং এবং আই.এফ.এস এসোসিয়েশন ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের এস প্রভু।

 বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী যেন অবিলম্বে কুরুচিকর মন্তব্য প্রত্যাহার করেন এবং নিঃশর্তে ক্ষমা চান। তারা বিবৃতি জারি করে বলেন, ভারতীয় পুলিশ সার্ভিস কর্মকর্তাকে উদ্দি পড়া অবস্থায় বোকা বা ইডিয়েট বলা অত্যন্ত অসম্মানজনক। একজন সাংবিধানিক পদাধিকারের কাছ থেকে এই ধরনের আচরণ কোনভাবে প্রত্যাশিত নয়। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা আরো উল্লেখ করেছেন, কোনরকম প্রমাণ ছাড়া প্রশাসনিক কোন আধিকারিকের বিরুদ্ধে এ ধরনের মন্তব্য করলে মনোবল ক্ষুন্ন হয়। তাই অবিলম্বে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীকে মন্তব্য গুলি প্রত্যাহার এবং নিঃশর্তে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য দাবি জানানো হয়।

 উল্লেখ্য, বুধবার বিলোনিয়া মহকুমা চোত্তাখলায় পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়ে বাদল শীলের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহিদান দিবস কর্মসূচি করতে চেয়েছিল বামেরা। কিন্তু কর্মসূচি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মাঝ রাস্তায় কালো পতাকা নিয়ে কর্মসূচি বানচাল করতে দাঁড়িয়ে থাকে দুর্বৃত্তরা। মিছিল এগিয়ে আসতে বিরোধী দলনেতাকে কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ দেখায় জড়ো হওয়া দুর্বৃত্তরা। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে বামেদের মিছিল মাঝরাস্তায় রুখে দেয়। তখন পরিস্থিতির উত্তপ্ত হয়ে উঠে। তখন সেখানে উপস্থিত রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জেলা পুলিশ সুপারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলেন, রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশককে কর্মসূচি সম্পর্কে নিরাপত্তার কথা জানিয়ে আসলে কেন এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হল? তখন জেলা পুলিশ সুপার কোন উত্তর দিতে পারেননি বিরোধী দলনেতার। একে চিত্র প্রত্যক্ষ করা গেছে দুদিন আগে কালা ছড়া ব্লক এলাকায়। সেখানেও সিপিআইএমের মিছিল রুখে দিয়েছিল পুলিশ। শাসক দলের কর্মসূচির জন্য অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করতে পারল না বামেরা। এমনটাই অভিযোগ উঠেছিল।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য