বাড়িরাজ্যপ্রাক্তন কংগ্রেস নেতার ভাইকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে দিলো এলাকাবাসী

প্রাক্তন কংগ্রেস নেতার ভাইকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে দিলো এলাকাবাসী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২ জুন : গায়ে গেরুয়া রামাবলির ছোঁয়া লাগতেই প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা রতন দাসের ভাই এবং ভাইপো মদের হোম ডেলিভারির মাইলেজ পেয়েছেন। মঙ্গলবার স্কুটি দিয়ে এলাকার বাড়ি বাড়ি হোম ডেলিভারি করার সময় রতন দাসের ভাই উত্তম দাসকে আটক করলেন এলাকার এক গৃহবধূ। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা রতন দাসের ভাইয়ের নাম উত্তম দাস এবং ভাইপো অসীম দাস। কাঠালতলী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দেশি এবং বিদেশী মদের ঠেক বসিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার অভিযুক্ত উত্তম দাসকে এলাকাবাসী আটক করে আমতলী থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায় মঙ্গলবার সকালে এলাকার এক বাড়িতে গিয়ে স্কুটি দিয়ে দেশি মদ হোম ডেলিভারি করে আসার সময় এলাকার এক গৃহবধূর দেখে ফেলেন।

সাথে সাথে প্রতিবাদ জানায়। তখন এগিয়ে আসে এলাকাবাসী। পরে ক্লাবের লোকজনেরা ঘটনাস্থলে এসে খবর দেয় আমতলী থানার পুলিশকে। আমতলী থানার পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত উত্তম দাসকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। উত্তম দাসকে ঘটনার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগের সততা স্বীকার করে বলেন তিনি এবং ঝন্টু নামে আরো একজন এভাবে দীর্ঘদিন ধরে মদ বিক্রি করে আসছে। এলাকার মহিলাদের বক্তব্য তারা অতিষ্ঠ হয়ে গেছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতার পরিবারের মদ বিক্রিত যন্ত্রণায়। প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা বিজেপির সঙ্গে আলিঙ্গন করার পর থেকে এলাকায় তাদের যন্ত্রণা আরো বেড়েছে। পুলিশকে ম্যানেজ করেই চলছে এলাকায় এহেন কার্যকলাপ।

 রতন বাবু কংগ্রেস ছেড়ে গেরুয়া ভক্ত হওয়ার পর থেকেই যেন হোম ডেলিভারির বার বাড়ান্ত আরও তিনগুণ বেড়ে গেছে। পুলিশ রতন বাবুর কথা ছাড়া এলাকায় অভিযান চালাতেও আসে না। তাই এবার সচেতন হয়েছে এলাকাবাসী। মহিলারা জানান এলাকার যেসব বাড়ি ঘরের মানুষ মদের প্রতি আসক্ত তাদের বাড়িতে গিয়ে হোম ডেলিভারি করছেন অভিযুক্ত। এলাকায় একটি দোকান খুলে আড়ালে মদ বিক্রি করে চলেছেন অভিযুক্ত উত্তম দাস। দীর্ঘদিন ধরে তার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এলাকার বাড়ি ঘরে দম্পতিদের মধ্যে ঝামেলা বাড়ছে নেশার রমরমার কারণে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি দাবি করল এলাকা বাসী। তবে যতদূর জানা যায় ইতিমধ্যেই আমতলী থানায় যোগাযোগ শুরু করেছে গেরুয়া ভক্তের নেতারা। অভিযুক্তকে রেহাই দিতে পুলিশকে জামিনযোগ্য দুর্বল ধারা অনুযায়ী লোক দেখানো মামলা নিতে বলছে। এখন দেখার বিষয় পুলিশ কি ভূমিকা নেয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য