কলকাতা, ১ জুন (হি. স.) : রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে কালীঘাটা হাজির ছিলেন না ৬১ জন তৃণমূল বিধায়ক। তখনই একটা ইঙ্গিত ছিল। কেন এই গরহাজিরা? তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্য রাজনীতিতে বড় খবর হল, ভাঙছে তৃণমৃল কংগ্রেস।
সোমবার দুপুরে সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত হয় নয়া তৃণমূল কংগ্রেস।
সূত্রের খবর, এই নয়া তৃণমূল শিবিরে কমপক্ষে ৫০ তৃণমূল বিধায়ক থাকার কথা । দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সোমবারই তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হয় সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত মণ্ডলকে। আর তার পরই শোনা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একঝাঁক বিধায়ক স্পিকারের কাছে চিঠি লিখতে চলেছেন যে তারাই আসল তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁরাই প্রধান বিরোধী দল। এক্ষেত্রে তাদের নেতৃত্বে ঋতব্রত মণ্ডল।
কে বিরোধী দলনেতা হবে তার একটি চিঠি দেওয়া হয় বিধানসভা স্পিকারে কাছে। অভিযোগ, সেই চিঠিতে বহু তৃণমূল বিধায়ক সই করেননি। যাঁরা সই করেননি তাঁদের নাম ব্লক লেটারে লিখে দেওয়া হয়েছিল। এনিয়ে সন্দীপন সাহার বক্তব্য, ব্লক লেটারে নাম লিখে জমা দিয়ে দেওয়া, এর থেকে অনৈতিক কিছু হতে পারে? বিধানসভার আইন মানা হচ্ছে না। আমরা বিধানসভার আইন মেনে, অনৈতিক কাজ না করে যে অন্যায় হয়েছে তা আমরা অধ্যক্ষের গোচরে এনেছি।

