বাড়িরাজ্যযথাযথ মর্যাদার সাথে রবীন্দ্র জয়ন্তীর আয়োজন  

যথাযথ মর্যাদার সাথে রবীন্দ্র জয়ন্তীর আয়োজন  

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৯ মে : যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন করা হয়। সরকারি এবং বেসরকারি ভাবে এই অনুষ্ঠানে কবি গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম জয়ন্তী অনুষ্ঠান হয় আগরতলা রবীন্দ্র কাননে।

এদিন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করলেন মন্ত্রী সান্তনা চাকমা। মন্ত্রী সান্তনা চাকমা বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন একজন ব্যক্তিত্ব যে দেশপ্রেম, সংস্কৃতি থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই মানুষের মনে আজ বেঁচে আছেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ভুললে আমাদের চলবে না। আজকে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে রাজ্যবাসী এবং দেশবাসীকে তিনি শুভেচ্ছা জানান। আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সান্তনা চাকমা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা। পাশাপাশি এই দিন খুঁদে শিশুর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে পালন করা হল রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের জন্মদিন। এইদিন প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে কংগ্রেস ভবনে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করা হয় দিনটি। উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা, প্রদেশ যুব কংগ্রেস সভাপতি নিল কমল সাহা সহ অন্যান্যরা। উপস্থিত সকলে এইদিন কবি গুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে ওনার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এক সাক্ষাৎকারে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা জানান বিশ্ব কবি রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর একদিকে যেমন নোবেল জয়ী সাহিত্য সম্রাট, তেমনি অপরদিকে তিনি দেশ প্রেমিক। ওনার সাহিত্য, কবিতা, গান সমগ্র বিশ্বের মানুষের কাছে জনপ্রিয়। রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর সাহিত্য সম্রাট হিসাবে সমগ্র বিশ্বের কাছে পরিচিত।

এদিকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মুকুট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল এক বর্ণাঢ্য ও আবেগঘন অনুষ্ঠান। যেখানে সাহিত্য, সংস্কৃতি আর রবীন্দ্র চেতনার অপূর্ব মেলবন্ধনে মুখর হয়ে উঠে গোটা প্রাঙ্গণ।

সাংস্কৃতিক আবহে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর বিশ্বকবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। শান্তিরবাজার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, শান্তিরবাজার পুর পরিষদ এবং শান্তিরবাজার মহকুমা সাহিত্য পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরবাজার বিধানসভার বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং সহ অন্যান্যরা। এদিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মাতাবাড়ি বাইপাস সংলগ্ন এলাকায়। রবীন্দ্রনাথের মর্মর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, সহ-সভাধিপতি সুজন কুমার সেন সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিষয়ে তুলে ধরেন। ১৬৫ তম কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শনিবার কমলপুর টাউন হলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কমলপুর নগর পঞ্চায়েত ও তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান যেন শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ছিল বাঙালির আত্মার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রবীন্দ্র চেতনাকে নতুন করে অনুভব করার এক আবেগঘন প্রয়াস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিরাও কবিগুরুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। উপস্থিত ছিলেন কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা, ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত মজুমদার, দুর্গা চৌমোহনী পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস-চেয়ারম্যান সৌমিত্র গোপ, নগর পঞ্চায়েতের কাউন্সিলর প্রশান্ত সাহা, কমলপুর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক বিদ্যা মোহন জামাতিয়া সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তারা কবিগুরুর প্রসঙ্গে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য