বাড়িরাজ্যআমার দিকে এবং আমার সন্তানের দিকে চেয়ে রাহুলকে ক্ষমা করতে পারেননি, জহর...

আমার দিকে এবং আমার সন্তানের দিকে চেয়ে রাহুলকে ক্ষমা করতে পারেননি, জহর চক্রবর্তীকে প্রশ্ন রাহুলের স্ত্রীর

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৭ মে : যাদের প্রশ্রয়ে এবং যাদের সেল্টারে উপনির্বাচনের ফলাফলের ২৪ ঘন্টার মধ্যে কাউন্সিলর রাহুল কেশর রায়ের সহধর্মিনীর সিথির সিঁদুর মুছে গেছে, তাদের থেকে মুখ ঘুরালেন গর্ভবতী রাহুলের স্ত্রী। জবাব নেই রাষ্ট্রবাদী নেতাদের মুখে। ৪৮ ঘন্টা অতিক্রান্ত, পুলিশের জালে উঠলো না কোন অভিযুক্ত। নিরপেক্ষ তদন্ত প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিচ্ছে সুশাসন জামানা। উল্লেখ্য, ধর্মনগর পুর পরিষদের কাউন্সিলর প্রয়াত রাহুল কিশোর রায়ের বাড়িতে গেলেন সদ্য উপনির্বাচনে জয়ী প্রার্থী জহর চক্রবর্তী।

ভোট গণনার পরের দিন নিজ বাড়ির শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয় রাহুল কিশোর রায়ের ঝুলন্ত মৃতদেহ। পরিবারের অভিযোগ স্বদলীয় কোন্দলের জেরে রাহুল আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনার তিন দিনের মাথায় প্রয়াত রাহুল কিশোর রায়ের বাড়িতে যান এলাকার নবনির্বাচিত বিধায়ক জহর চক্রবর্তী। সাথে ছিলেন বিজেপি উত্তর জেলার সভাপতি কাজল দাস, বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ দেব, ধর্মনগর পৌর পরিষদের কাউন্সিলর নবনীতা আচার্য সহ অন্যান্যরা। জহর চক্রবর্তী কথা বলেন প্রয়াত রাহুল কিশোর রায়ের স্ত্রী সহ পরিবারের লোকজনদের সাথে। কিন্তু রাহুলের স্ত্রী কিছু অসাধু রাষ্ট্র বাদীদের দেখে তিক্ততা প্রকাশ করেন। যাদের প্রশ্রয়ে এবং সেল্টারে রাহুল আজ পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে তাদের শোক প্রকাশ কোনভাবেই গ্রহণ করতে পারছিলেন না রাহুলের পরিবার। এদিন জহর চক্রবর্তী সমবেদনা জানান রাহুলের পরিবারের প্রতি। রাহুলের স্ত্রী জোহর চক্রবর্তীকে বলেন আপনি এতগুলি ভোট আমার পরিবারের পক্ষ থেকে পেয়েছেন, অথচ আমার দিকে চেয়ে এবং আমার সন্তানের দিকে চেয়ে রাহুলকে ক্ষমা করতে পারেননি? এর কোন জবাব দিতে পারলেন না নবনির্বাচিত জহর চক্রবর্তী।

একই সাথে প্রয়াত রাহুল কিশোর রায়ের আত্মার সদগতি কামনা করেন। প্রয়াত রাহুল কিশোর রায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জহর চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান রাহুল কিশোর রায়ের মৃত্যুতে সকলে শোকাহত। তবে রাহুল কিশোর রায়ের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী, তাদেরকে চিহ্নিত করে আরক্ষা প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রয়াত রাহুল কিশোর রায়ের পরিবারের পাশে সরকার থাকবে বলে জানান তিনি। তবে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো ঘটনার ৪৮ ঘন্টা অতিক্রান্ত হয়ে গেল এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের জালে তুলতে পারছে না ধর্মনগর থানার পুলিশ। এর পেছনে মূলত কি কারণ সেটা পুলিশ প্রশাসনেই ভালো বলতে পারবে। তবে ধর্মনগর বাসী চাইছে নিরপেক্ষ তদন্ত করে যেন পুলিশ প্রশাসন অভিযুক্তদের ধরপাকড় করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করে। কিন্তু বিষয়টি রফা দফা করার জন্য প্রয়াস উপমহলের বলে সূত্রের খবর।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য