বাড়িরাজ্যএটা রাজতন্ত্র নয়, এটা গণতন্ত্র, সময় আছে সাবধান হয়ে যান : মুখ্যমন্ত্রী

এটা রাজতন্ত্র নয়, এটা গণতন্ত্র, সময় আছে সাবধান হয়ে যান : মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৫ মার্চ :রবিবার আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে ভারতীয় জনতা পার্টি ত্রিপুরা প্রদেশের উদ্যোগে মহা যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা, বিজেপি প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যী, মন্ত্রী সান্তনা চাকমা সহ অন্যান্যরা। যোগদান সভায় মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রেখে বলেন, এটা রাজতন্ত্র নয়, এটা গণতন্ত্র। রাজতন্ত্রের দিন শেষ। তাদের আর দিন নেই। গণতন্ত্রই হলো আসল।

বারবার যেভাবে চ্যালেঞ্জ করছেন সেটা করার জন্য নিজেকে আগে প্রশ্ন করা দরকার যেটা করছেন সেটা সঠিক কিনা। শনিবার দলের কর্মসূচিতে গিয়ে বারবার চ্যালেঞ্জ চ্যালেঞ্জ বলছেন। কিন্তু তোমার কাছে আছে কি সাম্প্রদায়িক সুড়সুড়ি দেওয়া ছাড়া? প্রদ্যোতকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এখন স্বপ্ন দেখছে মুখ্যমন্ত্রী হবে। এডিসিতে যে নমুনা দেখাচ্ছে, তিনি যদি মুখ্যমন্ত্রী হন তাহলে ত্রিপুরা রাজ্যের যে কি দুর্দশা হবে সেটা তো এমনিতেই বুঝা যায়! সামান্য একটা এডিসি-র জন্য যেভাবে লুটপাট করছেন, এর পিকচার মানুষ অলরেডি দেখচুকা হে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন ভারতীয় জনতা পার্টি আসার ফলে তাদের চেহারা দেখা যায়। আগে থানার মধ্যে প্রবেশ করে পর্যন্ত একজন যুবককে মারধর করেছে। সেই যুবক জনজাতি ছিল। তখন কি থানসা ছিল ? বুঝতে চেষ্টা করুন এককভাবে চলা যায় না। আসুন বসে কথা বলুন। ঠেলাগাড়ি দিয়ে ট্রাক গাড়িকে ধাক্কা দিতে যাবেন না। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গলার নালী ফুলিয়ে ভাষণ যে কোন কাজের কাজ কিছুই হবে না সেটা মানুষ বুঝে গেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একের পর এক কাজ জনজাতিদের জন্য করা হচ্ছে।

 তাদের বাড়িতে এখনো কিছু কিছু সিপিআইএম রয়েছে। তাদের ইতিহাস রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে। মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না, তাহলে কিন্তু আমরা ভিতরে ঢুকে যাব। সুতরাং, সাধু সাবধান। সুপ্রিমোকে আবারো নিশানা করলেন প্রদেশ বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা। তিনি বলেন, বারবার মানুষকে ব্ল্যাকমেল করা যায় না। নিজের পরিবারের ফায়দা দিতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে মানুষকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করছেন সেই দলের সুপ্রিমো। তিনি ভাবছেন, মায়া কান্না করলে মানুষ বিশ্বাস করবে। কিন্তু মানুষ তাদের আর বিশ্বাস করছে না। মানুষ জানে রাজনীতিতে কোনরকম মায়া কান্নার জায়গা নেই। মানুষ চায় শুধু উন্নয়ন। এই যোগদান সভায় বিভিন্ন দল ত্যাগ করে ১ হাজার ৩৩৬ পরিবারের ৩ হাজার ১৮৯ ভোটার বিজেপি দলে যোগদান করেন।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য