স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৩ ফেব্রুয়ারি : ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠা পাথর কেশার গুলির জন্য জনজীবন বিপন্ন হতে চলেছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য ছিল যে এই কেশার গুলির অর্থাৎ পাথর ভাঙ্গার মেশিনগুলি যখন চলে তখন তীব্র আওয়াজ অসহনীয় হয়ে উঠে। তারই পাশাপাশি ওই এলাকায় এত পরিমানে পাথর ভাঙ্গার সময় প্রচন্ড ধুলোবালি ছোড়ায়। তাতে শ্বাস প্রশ্বাস নেওয়াটাই কষ্টকর হয়ে পড়ে। যার জন্য অত্র এলাকার শিশু, কিশোর, যুবক যুবতী এবং বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। চিকিৎসকদের মতেও ওই এলাকাগুলিতে যখন মেশিন চলে সেই তীব্র আওয়াজে শ্রবণ শক্তির ক্ষতি হতে পারে।
এ বিষয়গুলি অবগত হওয়ার পর দূষণ নিয়ন্ত্রণ পরিষদের দৃষ্টিপাত করে তদন্ত শুরু হয়।জানা যায়, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের মাধ্যমে উত্তর জেলা প্রশাসন এবং ধর্মনগর মহকুমা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে কিছুদিন আগেই ১০৩ টির পাথর কেসারের মালিক পক্ষকে নোটিশ দেন। কিন্তু অধিকাংশ মালিকপক্ষই কোন বৈধ কাগজ না দেখাতে পারায় “পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড এবং মহকুমা প্রশাসনের যৌথ গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২৫ টি এবং শুক্রবার অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৭টি সর্বমোট ৫২টি অবৈধ কেশার বন্ধ করে দিল জেলা প্রশাসন। বাকিগুলোর তদন্ত চলছে। স্থানীয়দের বক্তব্য, যদি প্রশাসন আরো কিছুদিন আগেই দৃষ্টিপাত করত তাহলে ভালো ছিল।

