Friday, February 6, 2026
বাড়িরাজ্যবিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে কংগ্রেস

বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে কংগ্রেস

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৬ ফেব্রুয়ারি : মনরেগা প্রকল্প রক্ষা, গ্রামীণ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ সহ একাধিক দাবিতে শুক্রবার উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরে বর্ণাঢ্য মিছিল ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করল জেলা কংগ্রেস। ধর্মনগর স্থিত জেলা কংগ্রেস ভবন থেকে শুরু হওয়া এই মিছিল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে জেলা শাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলকে ঘিরে গোটা শহর জুড়ে সৃষ্টি হয় ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য।

মিছিল শেষে জেলা কংগ্রেস সভাপতি দিগ্বিজয় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জেলা শাসক চাঁদনী চন্দ্রানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি ডেপুটেশন জমা দেন। ডেপুটেশনে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মনরেগা প্রকল্প কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। পাশাপাশি মনরেগা প্রকল্পের নাম পরিবর্তন ও নতুন আইন প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। গ্রামীণ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৪০০ টাকা নির্ধারণ সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবিও তুলে ধরেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।

এদিকে মনরেগা বাঁচাও এবং মেনরেগা আইন পুনর্বহাল রাখার দাবিতে কংগ্রেসের প্রতিটি জেলায় জেলা ভিত্তিক গণ ডেপুটেশনে ও গণবস্থান অনুষ্ঠিত হয়। সেই সঙ্গে খোয়াই জেলাতে ও তেলিয়ামুড়া জেলা কংগ্রেসের উদ্যোগে খোয়াই জেলা শাসকের নিকট গণ ডেপুটেশনে করা হয়।  এদিন খোয়াই কংগ্রেস কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি সুবিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে খোয়াই জেলা শাসকের কার্যালয়ের সামনে একটি গণধর্নায় মিলিত হয়ে সেখান থেকে পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দল খোয়াই জেলা শাসক রজত পন্থের সাথে দেখা করে ডেপুটেশনে প্রদান করেন তেলিয়ামুড়া জেলা কংগ্রেস কমিটি। এই ডেপুটেশন প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি  প্রদ্যুৎ ভট্টাচার্য, প্রদেশ কমিটির সদস্য কার্তিক দেবনাথ ও পরিতোষ ঘোষ সহ অন্যান্যরা। উপস্থিত কংগ্রেস নেতৃত্ব সরকারের তীব্র সমালোচনা করে মনরেগা পুনঃ বহাল করার দাবি জানান। একই সঙ্গে উদয়পুর জেলা কংগ্রেসের উদ্যোগে এক গণ-ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্যের নিকট এই গণ-ডেপুটেশন প্রদান করা হয়।

এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উদয়পুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি টিটন পাল, প্রদেশ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক মিলন কর সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব। জেলা কংগ্রেস সভাপতি টিটন পাল বলেন, মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন গ্রামীণ জীবিকা সুরক্ষার অন্যতম স্তম্ভ। এই আইনের মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি গ্রামীণ পরিবার কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়ে থাকে। এর ফলে গ্রামীণ এলাকায় বাধ্যতামূলক অভিবাসন হ্রাস পেয়েছে, মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং টেকসই সামাজিক সম্পদ গড়ে উঠেছে। অবিলম্বে এমজিএন রেগা আইন পুনর্বহাল না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য