স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা।৩ ফেব্রুয়ারি : সরকারি কর্মচারীদের প্রতি আন্তরিক সরকার। রাজ্যের সরকারি কর্মচারী ও কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের মধ্যে ডি.এ-র ফারাক কমানোর জন্য রাজ্য সরকার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। রাজ্যের সরকারি কর্মচারী ও কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের মধ্যে ডি.এ-র ফারাক-এর বিষয়ে ষোড়শ অর্থ কমিশনের সামনেও তুলে ধরা হয়েছে। একবার নয় বারে বারে ষোড়শ অর্থ কমিশনের সামনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকার অষ্টম পে-কমিশন প্রদান করলে রাজ্য সরকার গুলি কি ভাবে এই অষ্টম পে-কমিশন দিয়েছে তা খতিয়ে দেখবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট দাবি জানানো হবে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এই কথা বলেন অর্থমন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়।
ফিক্সড পে প্রথা পূবর্তন বামফ্রন্ট সরকার ২০০১ সালে চালু করে গেছে। এটা বিজেপি সরকারের চালু করা কোন পদ্ধতি নয়। মঙ্গলবার প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা বলেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। তিনি বলেন এখন ফিক্স পে প্রথার চাকরির ৫ বছর হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিতকরণ করার জন্য ফাইল পাঠানো হয় অর্থ দপ্তরে। বিগত দিনের মতো আদালতের নির্দেশ পেয়ে সরকার ফাইল পাঠায় না।
তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালে ১৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে সরকার গঠন হয়েছিল। বর্তমানে সেটা বৃদ্ধি হয়ে করা হয়েছে ৩২ হাজার কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া বাজেট ২০২৬-২৭ নিয়ে তিনি বলেন ঐতিহাসিক বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে মানুষের দিকেই গুরুত্ব দিয়ে এই বাজেট পেশ করেছে সরকার। এই বাজেট বিকশিত ভারত ২০৪৭ -এর ইঙ্গিত করা হয়েছে। মহিলাদের স্ব-শক্তিকরণ, যুবশক্তিকে কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী করতে ই বাজেট। এই বাজেট সুদীর্ঘ চিন্তাধারা নিয়ে করা হয়েছে। এর সুফল আগামী দিন দেশবাসীর মিলবে বলে জানান তিনি। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা সহ অন্যান্যরা।

