স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৯ জানুয়ারি :বিধবা মহিলার ভ্রুণ হত্যার করল এক পাষণ্ড প্রেমিক। শারীরিক সম্পর্ক করে শেষ পর্যন্ত ঔষধ খাইয়ে ভ্রুণ হত্যা করে মাটির নিচে শিশুটিকে চাপা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনা খোয়াই উত্তর চেবরী এলাকায়। ঘটনা বিবরণে প্রকাশ গত দেড় বছর ধরে উত্তর চেবরী এলাকার অনুকূল পালের সঙ্গে এক বিধবা মহিলার সাথে অবৈধ ভাবে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে বলে অভিযোগ। এই অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ফলে রবিবার ভোরে মৃত সন্তান প্রসব হয় বিধবা মহিলার। গত ১৫ দিন ধরে অনুকূল পাল বিধবা মহিলাকে সন্তান নষ্ট করার জন্য বল পূর্বক মানসিকভাবে চাপ দিতে থাকেন।
পরবর্তী সময় ওই অসহায় মহিলা অনুকুল পালের জোরপূর্বক মানসিক চাপে ফলে অবৈধ ভ্রুণ হত্যার ঔষধ খেতে বাধ্য হন। অনুকূল পালের দেওয়া বলপূর্বক সন্তান নষ্ট হওয়ার ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই অসহায় মহিলা। একটা সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন মহিলাটি অবশেষে বাধ্য হয়ে চেবরী প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি হন। প্রথমে ডাক্তার বাবু কাছে এই বিষয়টি মহিলা গোপন রাখেন।অথচ চেবরী হাসপাতালের চিকিৎসকের মহিলাকে দেখে সন্দেহ হয়।
বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করে চিকিৎসক জানতে পারেন ঐ মহিলা সন্তানসম্ভবা। পরবর্তী কিছুক্ষণের মধ্যেই বিধবা মহিলার মৃত সন্তান প্রসব করেন। এই ঘটনাটি এলাকাতে চাউর হতেই, এলাকার জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন অনুকূল পালের উপর। এলাকাবাসী রবিবার থেকে অনুকুল পালকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। যদিও অনুকূল পাল গা ঢাকা দিয়েছেন। চেবরী এলাকাবাসীর অভিযোগ কুলাঙ্গার অনুকূল পাল এই রকম আরো অনেক মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্কের জেরে অসহায় মহিলাদের জীবন নষ্ট হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর বক্তব্য এইরকম দুশ্চরিত্র পাষন্ডকে এলাকাতে থাকতে দেওয়া যাবে না। এদিকে মহিলা মৃত সন্তানটিকে সকলের অজান্তে একটি গর্তের মধ্যে মাটি চাপা দিয়ে দেয় বলে মহিলা জানান। এইরকম বিরল থেকে বিরলতম জঘন্য ঘটনায় এলাকায় মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সমাজকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে এই রকম জঘন্যতম কাজের অভিযুক্ত অনুকূল পালের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন স্বতঃপ্রণোদিত কোন মামলা গ্রহণ করে কিনা। কারণ ভ্রুন হত্যা বড় অপরাধ।

