স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৬ ডিসেম্বর : প্রশাসন ঘুমে! আর শুরু হয়ে গেল বিনা অনুমতিতে আনন্দ মেলা। মেলায় চলছে জান্ডি মুন্ডার আসর। মেলা কয়েকদিন কেটে যাওয়ার পর নজরে আসলো ব্যর্থ প্রশাসনের। তারপরও মেলা বন্ধ করার তড়িঘড়ি নেই। ঘটনা কদমতলা স্কুল মাঠে। এদিকে মহাকুমা শাসক জানান মেলা বন্ধ করা হবে। দুর্গাপূজার পর থেকে শুরু হয়েছে ধর্মনগর মহাকুমার অন্তর্গত বিভিন্ন এলাকায় আনন্দমেলা। মেলার অন্তরালে চলতে থাকে ঝান্ডি মুন্ডা জোয়ার আসর।
যে এলাকাতেই এই আনন্দমেলার বসার সুযোগ পায় সেই এলাকারই স্থানীয় নেতৃত্বদের প্রত্যক্ষ মদতে মেলার অভ্যন্তরে চলতে থাকে জান্ডি মুন্ডা রিং খেলার আসর। শুধুমাত্র আনন্দমেলা যদি হতো তাহলে হয়তো তা বন্ধ করার জন্য তৎপরতা দেখাতো না কদমতলার কদমতলার স্থানীয় মানুষ। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ বর্তমান সরকারের কিছু নেতাদের মদতেই চলছে আনন্দমেলা বসেছে। আর এই আনন্দমেলা অভ্যন্তরে চলছে অবৈধ জুয়া। কদমতলা মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে কদমতলার সিপিএমের বিধায়ক ইসলাম উদ্দিনের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল কদমতলা থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করেন।
বিধায়ক বলেন কদমতলা মাঠে মেলার নামে চলছে জুয়ার আসর। সেই জোয়ার কড়াল গ্রাসে সর্বস্বান্ত হচ্ছে যুবসমাজ। বাড়ছে রাহাজানি চুরি ডাকাতি। তাই অবিলম্বে এই আনন্দমেলা বন্ধ করতে প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে। এছাড়া তিনি দাবি করেন একটি রাজনৈতিক দলের উচ্চ নেতৃত্ব ও পঞ্চায়েত নির্বাচিত সদস্যদের প্রত্যক্ষ মদতেই এই আনন্দমেলার মধ্যে চলছে অবৈধ জুয়া ব্যবসা। তিনি কদমতলা থানার ওসিকে এ ধরনের অসামাজিক কাজ বন্ধের জন্য বলেন এবং এই আনন্দমেলার অভ্যন্তরে অবৈধ জুয়ার ব্যবসা রোধ করার জন্য মহকুমা প্রশাসনের দারস্থ হবেন। ধর্মনগর মহকুমা শাসকের কাছে এই বিষয় জানতে চাইলে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, পুলিশ প্রশাসন, পূর্ত দপ্তর থেকে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু প্রশাসনকে না জানিয়ে মেলা বসিয়েছে একটা মহল। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। অতিসত্বর এই মেলা বন্ধ করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এখন দেখার বিষয় মহকুমা শাসক কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

