Sunday, March 15, 2026
বাড়িরাজ্যখাস জমি থেকে উচ্ছেদ করতে গিয়ে শাসক দলের নেতারা মহিলাদের ক্ষোভের মুখে...

খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করতে গিয়ে শাসক দলের নেতারা মহিলাদের ক্ষোভের মুখে পড়ে পালিয়ে বাঁচলেন

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৬ নভেম্বর : খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করতে গিয়ে শাসক দলের নেতারা মহিলাদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন। ঘটনা সাব্রুম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সাতচাঁদ আর.ডি.ব্লকের অধীনে পূর্ব-জলেফা গ্রাম পঞ্চায়েতের চার নং ওয়ার্ডের পাল পাড়া এলাকায়। জোট আমলে নাকি আনুমানিক চারকানি হাসপাতালে নামে খাস জমি নেওয়া হয়েছিল। আর এই জমিটি ডিম্মার কেশান করে চিহ্নিত করে খুঁটি লাগিয়ে ছিল মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এই জমি অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে মুরগির ডিম থেকে মুরগির বাচ্চা তৈরি করা তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বাম আমলে পূর্ব-জলেফা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নিখিল পাল প্রধান থাকাকালী পাল পাড়াতে ঐ সরকারি খাস ভূমি দখল করে নিয়ে এলাকার ১৫ থেকে ১৬ পরিবারের কাছে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ। বর্তমানে ওই পরিবারগুলি বসত ঘর তৈরি করে প্রায় ২০ বছর যাবত বসবাস করছে। সাব্রুমের জনবর্জিত নেতা নাকি ঐ এলাকায় গিয়ে ঐ ১৫-১৬ পরিবারকে জায়গা ছাড়ার নির্দেশ দেন। তিনি ঐ পরিবার গুলিকে আশ্বস্ত করেন তাদেরকে অন্যথায় জায়গায় তিনগন্ডা করে ব্যবস্থা করে দেবেন তিনি।

 এলাকার লোকজনরা সাব্রুমের জনবর্জিত নেতার কথা শুনতে নারাজ এবং বিশ্বাস করতে নারাজ। গত দুইদিন আগে ঐ জলেফা এলাকারই বাসিন্দার তথা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান প্রভাস লোধ, ৪০/৪২ নাম্বার বুথ সভাপতি গণেশ শীল, শক্তি কেন্দ্রের ইনচার্জ বাবলু শর্মা সহ নেতারা গিয়ে হুলিয়া জারি করেন জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য। বুধবার সকাল ১৫-১৬ পরিবারের বাড়িঘর ভাঙ্গার জন্য ডজার গাড়ি পাঠায়। তখন এলাকার প্রমীলা বাহিনী উত্তেজিত হয়ে উঠে। খবর লেখা পর্যন্ত প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, ঐ জায়গা থেকে সরে গিয়ে ৩৯-নং মনু-বনকুল বিধানসভা কেন্দ্রের রাজিব নগর এলাকাতে স্থানান্তর করে হেচার খানা অফিস তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। আর এই নিয়ে পাল পাড়াতে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য