স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৭ সেপ্টেম্বর : শনিবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেবা পাক্ষিক ২০২৫ কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে দিব্যাঙ্গজনদের মধ্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। আগরতলা মুক্তধারা অডিটরিয়ামে আয়োজিত এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর দিব্যাঙ্গনদের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বলেন, দিব্যাঙ্গজনরা সমাজের একটা অংশ। তাদেরকে ভালো রাখতে হবে। রাজ্য সরকার সেই দিশায় কাজ করছে। দিব্যাঙ্গজনদের পরিচয় পত্র প্রদান করা হয়েছে।
দিব্যাঙ্গজনদের স্বাবলম্বী করার চিন্তা ভাবনা করতে হবে। দিব্যাঙ্গজন ছেলে মেয়েদের অভিভাবকদের আত্ম বিশ্বাস রাখতে হবে। রাজ্যে প্রায় ৩০ টি সামাজিক ভাতা চালু রয়েছে। এতে করে প্রতি মাসে রাজ্য সরকারের ৩৪ কোটি ৩৫ লক্ষ ২২ হাজার টাকা ব্যয় হয়। নতুন করে মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক সহায়তা প্রকল্প চালু করা হয়েছে। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ডিডিআরসি রয়েছে। এজিএমসি-র অধ্যক্ষকে সভাপতি করে একটি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। যদি কোন দিব্যাঙ্গজনের পরিচয় পত্র প্রদানের ক্ষেত্রে কোন অভিযোগ আসে তাহলে সেই অভিযোগের নিস্পত্তি করে এই বোর্ড। দৃষ্টিহীন দিব্যাঙ্গজনদের জন্য নরসিংগড়ে স্কুল রয়েছে। সরকারি চাকুরিতে দিব্যাঙ্গজনদের জন্য ৪ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দিব্যাঙ্গ কর্মচারীরা যেন কর থেকে মুক্ত থাকে তারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপার্জন করতে অক্ষম দিব্যাঙ্গজনদের জন্য পারিবারিক পেনশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দিব্যাঙ্গজন কর্মচারীদের জন্য পৃথক বদলি নিতি করা হয়েছে।
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিস্থানে দিব্যাঙ্গজনদের জন্য ৫ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। ইন্টেলেকচুয়েল দিব্যাঙ্গজনদের সমাজের মধ্যে অনেকে বোঝা ভাবে। তাদেরকে সমাজের বোঝা ভাবলে হবে না বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিরা দিব্যাঙ্গজনদের মধ্যে তাদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম বিতরণ করেন। এদিনের অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব পিকে চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা।

