স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
১৩ সেপ্টেম্বর : রবিবার উত্তর বাধারঘাট
স্থিত উন্নয়ন
সংঘ ক্লাবের
৭৪ তম
প্রতিষ্ঠা দিবস
উপলক্ষে স্বেচ্ছায়
রক্তদান শিবির
অনুষ্ঠিত হয়।
শিবিরে উদ্বোধক
হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী
ডাক্তার মানিক
সাহা। রক্তদান
শিবিরের উদ্বোধন
করে মুখ্যমন্ত্রী
বক্তব্য রেখে
বলেন, ক্লাবগুলির
এখন পুরোপুরি
পরিবর্তন হয়েছে।
ক্লাবগুলির মধ্যে
যে ভয়,
ভীতি এবং
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ
ছিল এর
থেকে নব্বই
শতাংশ বের
হয়ে আসতে
সক্ষম হয়েছে।
শুধু আগরতলা
নয়, গোটা
ত্রিপুরা রাজ্যের
ক্লাব গুলিতে
এই ছবি
ফুটে উঠছে।
সরকার যেভাবে
চলে সেটা
ধীরে ধীরে
বিস্তৃত হয়
রাজ্যের সমস্ত
পর্যায়ে।
এরই উদাহরণ
হল ক্লাবগুলি।
তিনি বলেন,
মানুষের গণতান্ত্রিক
অধিকার খর্ব
হোক সেটা
সরকার কোন
অবস্থাতেই চায়
না। কোন
অবস্থাতে এটা
কেউ করবে
না। বিশেষ
করে বাড়ির
অভিভাবকদের উপর
নির্ভর করে
ছেলেমেয়েরা কিভাবে
চলাফেরা করে।
সেটাই প্রত্যক্ষ
করা যাচ্ছে
রাজ্য ক্লাব
সংস্কৃতির উপর।
মুখ্যমন্ত্রী আরও
বলেন শুধুমাত্র
ইনফ্রাস্ট্রাকচার উন্নয়ন
করলে চলবে
না, মানবিক
দৃষ্টিভঙ্গিতেও উন্নয়ন
খুব প্রয়োজন।
বিগত দিনে
দেখা যেত
এক ক্লাবের
সঙ্গে আরেক
ক্লাবের সীমানা
নিয়ে যুদ্ধ
হতে। অস্ত্রের
ঝংকার এবং
মারপিট এগুলি
চলতো। ফলে
মানুষের মধ্যে
ভয়ভীতি তৈরি
হয়েছিল। এর
থেকে বের
হয়ে আসতে
পেরেছে রাজ্যের
ক্লাব সংস্কৃতি।
মুখ্যমন্ত্রী আরও
বলেন, এলাকার
মধ্যে কোন
গার্হস্থ্য হিংসা
এবং সীমানা
নিয়ে সমস্যা
সামনে আসলে
ক্লাবগুলি যেন
নিরপেক্ষ ভূমিকা
পালন করে
তার জন্য
বলেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী রক্তদান
প্রসঙ্গে বলেন,
আগে হাসপাতাল
গুলির সামনে
অর্থের বিনিময়ে
রক্ত দিত।
এখন মানুষ
স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তদানে
এগিয়ে আসছে।
এর জন্য
রক্তদাতাদের শুভেচ্ছা
জানান মুখ্যমন্ত্রী।
পাশাপাশি বলেন
রক্তদানের সঙ্গে
যেন চক্ষুদান
এবং দেহ
দানে গুরুত্ব
দেয় সবাই।
সরকারের ভবিষ্যৎ
পরিকল্পনা নিয়ে
মুখ্যমন্ত্রী বলেন,
আগামী দিন
রাজ্যে বোন
মেরু প্রতিস্থাপন
এবং চক্ষু
প্রতিস্থাপন চালু
করার ইচ্ছে
রয়েছে। বিগত
দিনে রাজ্যের
মানুষ সর্বস্ব
বিক্রি করে
উন্নত চিকিৎসার
জন্য বহিঃরাজ্যে
চলে যেত।
রাজ্যে স্বাস্থ্য
পরিষেবায় বিশেষ
পরিবর্তন হওয়ায়
৮০ শতাংশ
রাজ্যের বাইরে
রোগী রেফার
কমেছে। সমস্ত
উন্নত স্বাস্থ্য
পরিষেবা এখন
ত্রিপুরা রাজ্যে
মিলছে বলে
জানান মুখ্যমন্ত্রী।
এদিনের আয়োজিত
রক্তদান শিবিরের
এছাড়াও উপস্থিত
ছিলেন আগরতলা
পুর নিগমের
মেয়র দীপক
মজুমদার, স্থানীয়
কর্পোরেটর শম্পা
সরকার চৌধুরী,
এ.এম.সি-র দক্ষিণ
জোনের চেয়ারম্যান
অভিজিৎ মল্লিক,
কর্পোরেটের অলক
রায়, উন্নয়ন
সংঘ ক্লাবের
সভাপতি জয়ন্ত
প্রসাদ সাহা
এবং ক্লাব
সম্পাদক পার্থ
সরকার সহ
অন্যান্যরা। পরবর্তী
সময়ে মুখ্যমন্ত্রী
রক্তদান শিবির
ঘুরে দেখেন।
পাশাপাশি রক্তাতাদের
সঙ্গে কথা
বলে উৎসাহিত
করেন। পাশাপাশি
এদিন সাফাই
কর্মীদের সংবর্ধনা
দেওয়া হয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান