স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৭ সেপ্টেম্বর : গৌহাটিতে ইঞ্জিনিয়াং পড়তে যাওয়া রাজ্যের কৃতি
খেলোয়াড়ের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। কমলপুর মহকুমার উত্তর হালহালী গ্রামের বাসিন্দা মুকুল
চন্দ্র মালাকারের ১৮ বছরের মেয়ে পাঁপড়ি মালাকার। পাঁপড়ি মালাকার যেমন পড়াশোনায়
ভালো ছিল, তেমন খেলাধুলা ভালো ছিল। গত ২০২৩-২০২৪ সালে দিল্লিতে ভারতীয় থাংটা মার্শাল
আর্টের সোনা পেয়ে কমলপুর সহ ত্রিপুরা মুখ উজ্জ্বল করেছিল। রাজ্যে সরকারের উদ্যোগে
ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী টিংকু রায়ের কাছ থেকে সম্বর্ধনা প্রদান করেন পাঁপড়ি
মালাকারকে। ২০২৫ সালে গৌহাটিতে ইঞ্জিনিয়ার কোর্স ভর্তি হয়। সে হোস্টেলে থাকতো।
পাঁপড়ি মালাকারের
পিতা মুকুল মালাকার জানান,গত ২৬ আগস্ট এক অপরিচিত মহিলা হোস্টেলে প্রবেশ করে হোস্টেলের
দারোয়ান কে বলে পাঁপড়ি মালাকারের সাথে দেখা করবে। দারোয়ান অচেনা মহিলা বলে দেখা
করতে দেয়নি। এরপর ওই অপরিচিত মহিলা পাঁপড়ি মালাকারের সমন্ধে মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে
যায়। তারপরেই তার দেহ উদ্ধার হয় হোস্টেল থেকে গত ২৭ আগস্ট। আসাম পুলিশ খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে কমলপুরের উত্তর হালহালী পাঁপড়ির বাড়িতে মর্মান্তিক ঘটনার
খবর দেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর শুনে বাবা মুকুল মালাকার সহ আত্মীয় স্বজনরা গাড়ি
রিজার্ভ নিয়ে ২৮ আগস্ট দুপুরে গৌহাটিতে পৌঁছে। সেখানে আসাম পুলিশ কাছে দুই ব্যক্তির
নামে মামলা দায়ের করেন যে মিথ্যা প্ররোচনার শিকার হয়ে পাঁপড়ি মালাকার আত্মহত্যা
করে। পুলিশ তদন্তে নেমে এক মহিলা সহ দু'জনকে গ্রেফতার করে। অসহায় পরিবার, ত্রিপুরা
পুলিশ ও আসাম পুলিশের কাছে ঘটনার সঠিক তদন্ত দাবি করেন। এখন দেখার বিষয় তদন্ত প্রক্রিয়া
কোন দিকে এগিয়ে যায়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান