স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২ সেপ্টেম্বর : বিলোনিয়া উত্তর ভারত চন্দ্রনগর উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ১৩ জন শিক্ষার্থী
শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। এই ঘটনায় চরম
উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে
পড়েছে। বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর অন্তত ১৩ জন ছাত্র-ছাত্রী হঠাৎ গুরুতর শ্বাসকষ্টে অনুভব করে। অসুস্থ বোধ করার পর পরই দ্রুত
তাদের উদ্ধার করে বিলোনিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন। হঠাৎ করে এতজন শিক্ষার্থীর একসঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা ও ভীতির সৃষ্টি
হয়েছে। খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে আসেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, অভিভাবকরা।
১৩ জন শিক্ষার্থী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি। চিকিৎসকরা দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করলেও, এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর হঠাৎ কেন এমন শ্বাসকষ্ট শুরু হলো—তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের। এক অভিভাবক জানান, উনার মেয়ে মিড ডে মিল খাবার না খাওয়ার পরেও এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কি কারনে এমন অসুস্থ হয়ে পড়েছে সে বিষয়ে বুঝতে পারছেন না। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। দায়িত্ব জ্ঞানহীন শিক্ষক শিক্ষিকারা এই দিন ছাত্র-ছাত্রীদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়নি। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে পাঠানোর কোন বন্দোবস্ত করেন নি। শেষ পর্যন্ত অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের গাড়ি দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
ঘটনাকে
কেন্দ্র করে সমগ্র বিলোনিয়া ও আশপাশের এলাকায়
ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপর ভরসা করেই ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে পাঠায় অভিভাবকরা। তাদের যদি কর্তব্য পালনে অনিহা থাকে তাহলে অভিভাবকরা অত্যন্ত অসহায়। কিন্তু সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে বেশি শিক্ষক শিক্ষিকারা প্রতিমাসে মোটা অংকের বেতন পায়। আর তারা যদি
এভাবে দায়িত্ব এড়িয়ে চলেন তাহলে শিক্ষকরা আগামী দিন আর সমাজের মেরুদন্ড
হিসেবে পরিচিতি লাভ করে থাকবে না। বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাদের এমন ভূমিকা সত্যিই নিন্দনীয় অভিভাবক মহলের মধ্যে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান