Tuesday, July 23, 2024
বাড়িরাজ্যহোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল এবং ফার্মাসিক্যাল ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করে অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী

হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল এবং ফার্মাসিক্যাল ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করে অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৯ মে : রাজ্যে মেডিকেল হাব করার চিন্তা ভাবনা নিয়ে হোমিওপ্যাথিক কলেজ স্থাপন করার জন্য বুধবার রাজধানীর রেন্টান্স কলোনি স্থিত সাধুটিলা এলাকার নেতাজী সুভাষ স্টেট হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। কথা বলেন হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং রোগীদের সাথে। কিন্তু হাসপাতাল পরিদর্শন করে হোমিওপ্যাথিক কলেজ স্থাপন নিয়ে অনেকটা চিন্তিত হয়ে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতাল ঘুরে দেখে মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, হোমিওপ্যাথিক কলেজ স্থাপন করার জন্য তিনি বুধবার পরি দর্শনে এসেছিলেন নেতাজী সুভাষ স্টেট হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালে।

 রাজ্য সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে এই জায়গাতেই একটি হোমিওপ্যাথিক কলেজ স্থাপন করার। কিন্তু এটা নিয়ে আরো অনেক চিন্তা ভাবনা করতে হবে সরকারের। কারণ খুব দূর থেকে রোগী এই হাসপাতালে আসে না। তাই মানুষকে আধুনিক পরিষেবা দিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবার উপর আকৃষ্ট করতে হবে। তবে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক রোগী এই হাসপাতালে আসে। তারপরও রাজ্য সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে মানুষকে যাতে এই হাসপাতালের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া যায়। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আধুনিক পরিষেবা কিভাবে মানুষের কাছে এই হাসপাতালের মাধ্যমে পৌঁছানো যায় সে বিষয়টা তিনি আলোচনা করবেন স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব, হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে। পাশাপাশি হাসপাতালের পরিষেবা আগামী দিন মানুষের কাছে আরও বেশি তুলে ধরতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছিলেন এই দিন স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে সহ অন্যান্য আধিকারিক।

তারপর মুখ্যমন্ত্রী চলে যান কুমারীটিলা স্থিত রিজনাল ফার্মাসিক্যাল ইনস্টিটিউটে। ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা সরজমিনে পরিদর্শন করে প্রত্যক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা। কথা বলেন সেখানকার কর্মীদের সাথে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে। বিভিন্ন বিষয় তিনি পরিদর্শন করতে পেরে প্রত্যক্ষ করেছেন এদিন। মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন,  সাংবাদিকদের দাবি অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়ে লক্ষ্য করেছেন অনেক খামতি আছে। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার জিনিসপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয় না। অযত্নের অভাবে এগুলো নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তিনি পরিদর্শনে এসে সবকিছু এক ঝলক দেখে বুঝে গেছেন। সমস্ত কিছু যে পরিচর্যার অভাব সেটা চোখে ধরা পড়েছে। এ বিষয়ে আধিকারিকদের সাথে কথা বলা হবে। কিন্তু এখান থেকে প্রতিবছর ছাত্রছাত্রীরা বি ফার্মা, ডি ফার্মা, এম ফার্মা সহ হোমিওপ্যাথিক এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার কোর্স করে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের ৫০ শতাংশ ছাত্র ছাত্রী এখানে পড়াশুনা করেন। কিন্তু এই জায়গায় এ ধরনের দেখভালের অভাব নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়েছেন বলে জানান। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন এখানে এসে প্রত্যক্ষ করেছেন ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ফ্যাকাল্টির সমস্যা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেছেন, বেসরকারি হলে পরিচর্যার অভাব হয় না, আর সরকারি হলেই এভাবে পরিচর্যার যথেষ্ট অভাব থাকে। এর থেকে বের হয়ে আসতে, এখন চিন্তাভাবনা বদলাতে হবে এবং কর্মীদের উদ্ভূত করতে নিয়মিত পরিদর্শন করবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য