স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৪ জুন : মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, সমস্ত জলাশয় কাজে লাগিয়ে যে পরিমাণ মাছের চাহিদা রয়েছে তা যাতে পূরণ করা যায়। সেই লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা। রাজ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে মৎস্য দপ্তরের বিভিন্ন সাফল্য ও আগামী পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
বুধবার মহাকরনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানান দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস। মন্ত্রী তুলে ধরেন কত টাকা কেন্দ্রের তরফে মঞ্জুরি পাওয়া গেছে। ২০২১- ২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরের কিছু উল্লেখযোগ্য সাফল্য মন্ত্রী এদিন তুলে ধরতে গিয়ে জানান, সারা রাজ্যে ২৬০ দশমিক ০৫ হেক্টর নতুন জলাশয় তৈরি করা হয়েছে, নির্ধারিত ৫০৯ দশমিক ১৮ হেক্টর জলাশয়ে মৎস্য চাষের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। ৬ টি মৎস্য বিপণী চালু করা হয়েছে। এদিন মন্ত্রী তথ্য তুলে ধরে জানান, ২০১৬-১৭ অর্থ বর্ষে মাছের উৎপাদন ছিল ৭২ হাজার ২৭৩ মেট্রিকটন।
তখন চাহিদা ছিল ৯৬ হাজার ৪৫৪ দশমিক ৭ মেট্রিকটন। ঘাটতি ছিল ২৪ হাজার ১৮১ মেট্রিকটন। আর বর্তমানে মাছের উৎপাদন হচ্ছে ৮২ হাজার ৮৪ দশমিক ২৪ মেট্রিকটন। চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৭১৪ দশমিক ২৪ মেট্রিকটন। ঘাটতি রয়েছে বর্তমানে রাজ্যে ২৯ হাজার ৬ হাজার ৩০ মেট্রিকটন। মন্ত্রী জানান এই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে পশ্চিম বাংলা, বাংলাদেশ ও অন্ধ্র প্রদেশের মাছ দিয়ে। ২০২৩-২৪ সালের জন্য জেলা ভিত্তিক কমিটির উপর ভিত্তি করে একটি কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুন পুকুর নির্মাণ, মিশ্র পদ্ধতিতে মাছের চাষ, রঙ্গিন মাছ পালন কেন্দ্র নির্মাণ সহ বিভিন্ন পরিকল্পনা লক্ষ্য, ব্যয় এদিন তুলে ধরা হয়েছে তথ্য সহকারে। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের সচিব বি এস মিশ্রা, অধিকর্তা মহম্মদ মুসলেম উদ্দিন।

