স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৯ ডিসেম্বর।এস, এস টি ক্যাটাগরি ভুক্ত ২৫ জন এলোপ্যাথি ফার্মাসিস্টের হাল ১০,৩২৩ এর মতো হতে চলেছে। ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকার একটা ওয়াক-ইন-ইন্টার্ভিউ নেয় এলোপ্যাথি ফার্মাসিস্টের ৭৩ টি শূন্যপদ পূরণ করার জন্য। ৭৩ টি শূন্যপদের মধ্যে ৬০ টি শূন্যপদ এস সি, এস টি -দের জন্য সংরক্ষিত ছিল। বাকি ১৩ টি পদ ছিল অন্যান্যদের জন্য। ত্রিপুরা রাজ্যের সংরক্ষণ আইনে বলা হয়েছে ৩১ শতাংশ এস টি এবং ১৭ শতাংশ আসন এস সি-দের জন্য সংরক্ষণ করা যাবে। এলোপ্যাথি ফার্মাসিস্টের ৭৩ টি শূন্যপদ পূরণের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ৮৪ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়েছে।
এই নিয়ে ২০১৫ সালে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দাখিল করা হয়। উচ্চ আদালতের সিঙ্গেল বেঞ্চ এই রিট পিটিশন খারিজ করে দেয়। পরবর্তী সময় পঙ্কজ ভৌমিক, রাজীব রায় সহ আরও দুই জন নতুন করে আরও দুইটি রিট পিটিশন দাখিল করে। এই দুইটি রিট পিটিশনের উপর শুনানি হয় উচ্চ আদালতে। সোমবার উচ্চ আদালত রায় দান করে। উচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছে কোন ভাবেই ৫০ শতাংশের বেশি আসন সংরক্ষণ করে শূন্যপদ পূরণ করতে পারবে না রাজ্য সরকার। ফার্মাসিস্ট এলোপ্যাথির ৭৩ টি শূন্যপদ পূরণের জন্য রাজ্য সরকার যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে, তা খারিজ করে দিয়েছে উচ্চ আদালত।
একই সাথে আদালত জানিয়ে দিয়েছে এইদিন যে রায় দেওয়া হয়েছে, সেই রায় মেনে শূন্যপদ গুলি পূরণের জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এতে করে আগে চাকুরি পাওয়া এস সি, এস টি -দের মধ্য দিয়ে ২৫ জন চাকুরি হারাবে। এবং নতুন করে অন্যান্য ক্যাটাগরি ভুক্ত ২৫ জন চাকুরি পাবে। সোমবার উচ্চ আদালতের এই রায়ের বিষয়ে জানান আইনজীবী সৌমিক দেব। আইনজীবী সৌমিক দেব আরও জানান উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ এইদিন অপর একটি রিট পিটিশনেরও অনুরুপ রায় দান করেছে। উচ্চ আদালতের এই রায় দানের ফলে বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মচারী বর্তমানে চাকুরি হারাতে চলেছে। তাদের এই চাকুরি হারানোর জন্য দায়ি রাজ্যের পূর্বতন সরকার, এমনটা অভিমত অভিজ্ঞ মহলের।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান