স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২৯ আগস্ট :জম্পুইজলা
মহকুমার উজান
পাথালিয়া ঘাটের
বেহাল রাস্তার
কারণে ক্ষুব্ধ
এলাকাবাসী এবং
যান চালকরা।
দীর্ঘ প্রায়
তিন বছর
ধরে এলাকার
রাস্তাটির বেহাল
দশা। বিশ্রামগঞ্জ
দেওয়ান বাজার
১১ নম্বর
টি এসআর
ব্যাটেলিয়ানের হেড
কোয়ার্টারের সামনে
জাতীয় সড়ক
থেকে পাথালিয়া
ঘাট, উজান
পাথালিয়া ঘাট
ও গুনিরাইবাড়ি
পর্যন্ত রাস্তার
চিত্র অত্যন্ত
করুন। রাস্তাটি
খানাখন্দে পরিণত
হয়ে আছে।
গর্তের মধ্যে
বৃষ্টির জল
জমে রাস্তা
পুকুরের আকার
ধারণ করেছে।
বাইক বাইসাইকেল
থেকে শুরু
করে ছোট
বড় যানবাহন
চলাচল করতে
গিয়ে সমস্যার
মধ্যে পড়তে
হচ্ছে। এই
বেহাল রাস্তায়
চলাচল করতে
গিয়ে ছোট
বড় অনেক
দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বহু মানুষ
আহত হয়েছে।
বহু পথচারী
পায়ে ব্যথা
পেয়েছে কোমরে
ব্যথা পেয়েছে।
পথচারীরাও এই
বেহাল রাস্তা
দিয়ে হেঁটে
বাজার হাট
এবং স্কুল
কলেজে যেতে
হয়।
বর্ষার সময়
জুতো হাতে
নিয়ে এই
এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে যেতে হয়।
কৃষকরা তাদের
উৎপাদিত ফসল
বেহাল রাস্তার
কারণে বিশ্রামগঞ্জ
বাজারে নিয়ে
যেতে পারছে
না। এলাকাবাসী
বিষয়টি জম্পুইজলা
ব্লক প্রশাসন
এবং টাকারজলা
পূর্ত দপ্তরে
জানিয়েছে। কিন্তু
কোন কাজ
হচ্ছে না
বলে তাদের
অভিযোগ। এলাকার
নতুন এমডিসি
বুদ্ধকুমার দেববর্মাও
ভোটের পর
আর এই
এলাকায় আসছেন
না। যার
ফলে এলাকার
মানুষ তাদের
সমস্যার কথা
নতুন এমডিসিকে
জানাতে পারছেন
না। এক
অটো চালক
সংবাদ মাধ্যমের
মুখোমুখি হয়ে
বলেন, রাজ্য
সরকার এবং
এডিসি প্রশাসনের
উদ্দেশ্যে আবেদন
করে বলেন
, উজান পাথালিয়া
ঘাট এলাকার
বেহাল রাস্তা
সংস্কারে যেন
অতি দ্রুত
হাত দেয়
প্রশাসন। কারণ
সামনেই ভিলেজ
কমিটির নির্বাচন।
ভিলেজ কমিটির
নির্বাচনে নেতারা
ভোট চাইতে
এলে এই
এলাকার মানুষ
আগে দাবি
করবে তাদের
বেহাল রাস্তা
সংস্কারের জন্য।
এমনটাই জানিয়েছে
এই এলাকার
বেশ কয়েকজন
প্রবীণ নাগরিক।
উল্লেখ্য, চার
মাসে এমডিসি
দেখা পেলেন
না অসহায়
ভুক্তভোগী পথচারীরা।
নির্বাচনের সময়
বাড়ি বাড়ি
দাপিয়ে বেরিয়েছেন
এমডিসি। নির্বাচনে
জয়ী হতে
তিনি বাবু
হয়ে গেছেন।
জনগণ বুঝতে
পারছে ভোটের
আগে তার
উন্নয়নের ভাষণ
যেন বাস্তবে
ফানুস।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান