স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৯ জুন : রাজধানীর শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের কর্মীর মনীষা দাস মৃত্যু কাণ্ডের ঘটনা ঘিরে যখন রাজ্যে তোলপাড়, তখন এলাকার বিধায়ক তথা ত্রিপুরা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল টু শব্দও করেননি। অবশেষে রাজনৈতিক চাপে পড়ে আট দিন পর অবতীর্ণ হলেন তিনি। বিরোধী রাজনৈতিক দলকে কাঠগড়ায় তুলতে ১৮ সূর্য্যমনি নগর বিধানসভা কেন্দ্রের কাঠালতলী এলাকায় প্রতিবাদ সভা করলেন উপাধ্যক্ষ।
শুক্রবার তিনি নিজ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কাঠালতলী বাজারে অর্থাৎ মনীষার বাড়ির ঢিল ছোড়া দূরে এক পথসভা সংগঠিত করে বলেন মনীষা মৃত্যু কান্ডের ঘটনা নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোনরকম গাফিলতি নেই। কিন্তু খবরের কাগজে শিরোনাম দখল করতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দাবি করছেন এটা হত্যাকান্ড। তিনি ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের উপর গুরুত্ব দেননি।
এর দ্বারা বুঝা যায় আইনের প্রতি আস্থা নেই বিরোধী দলনেতা। কাঠালতলী বাসী প্রশ্ন, ঘটনার সময় বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী কি সেখানে ছিলেন? নাকি পরিকল্পিতভাবে তাদের লোক দিয়ে করানো হয়েছে এই ঘটনা? যার কারণে তিনি সরাসরি হত্যা বলে দাবি করছেন! উপাধ্যক্ষ আরো বলেন জিতেন বাবুরা প্রতিদিন দু- তিনজন করে বিধায়ককে মনীষার বাড়িতে পাঠাচ্ছেন। পরবর্তী সময়ে রাস্তায় নেমে তামাশা করছেন তারা। তারা এলাকাকে কলঙ্কিত করতে আসছে। এ ধরনের ঘৃন্য রাজনীতি করতে আসা নেতৃত্বদের গাছে বেঁধে রাখার জন্য কাঠালতলী বাসীর কাছে আহবান করলেন উপাধ্যক্ষ। তবে মনীষা মৃত্যু কান্ডের ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক সব সংগঠনের পক্ষ থেকেই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাইছে। কিন্তু মনীষা মৃত্যুকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে কেউ রাজনীতি চায় না।

