স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৮ জুন : দীর্ঘদিনের পুরানো গ্রামীন রাস্তা সংস্কার না করায় বাইপাস সড়ক অবরোধ করলো এলাকাবাসী। এতে করে চরম দুর্ভোগের শিকার হয় সোনামুড়া – বিলোনিয়া মুখী দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস থেকে শুরু করে অন্যান্য যানবাহন। ঘটনা সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত কাঠালিয়া ব্লক এলাকার দক্ষিণ মহেশপুরের কাকরি নদীর ব্রিজ সংলগ্ন উত্তরাংশের চৌমুহনীতে। অভিযোগ দক্ষিণ মহেশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নং ওয়ার্ডের গ্রামীন রাস্তাটির বেহাল দশা। এলাকায় ২৫ থেকে ৩০ পরিবারের বসবাস। এই বেহাল রাস্তা দিয়ে তারা চলাচল করছে। এই সড়ক দিয়ে একটা সময়তে ছোট মাঝারি গাড়ি চলাচল করতো, বিগত প্রায় কয়েক মাস ধরে এখন আর এমন অবস্থা বাইসাইকেল দিয়েও আসা-যাওয়া করা সম্ভব হয়ে উঠে না। সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পরিপূর্ণ হয়ে থাকে জল কাদায়।
বিগত সরকারের আমল থেকে বর্তমান সরকারের আমলেও যখন নির্বাচন আসে তখনই প্রতিশ্রুতি বন্যায় একেবারে গা -ভাসিয়ে কথা বলে, কিন্তু নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ার পর রাস্তার কথা একেবারে ভুলে যায়। মানুষের দুর্ভোগের আর শেষ নেই। এদিকে স্নেহা বেগম নামে এক মহিলা জানান, পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতি পর্যন্ত বারবার বলার পর বাস্তবে কোন কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তা অবরোধে নামতে হলো তাদের। পাড়ার কোন ব্যক্তি যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে সামান্য অটো গাড়ি নিয়ে চলাচল করা কষ্টসাধ্য। গ্রামীণ সড়কটির দূরত্ব মাত্র ৩০০ মিটার, এই সামান্য কাজটুকু করার জন্য বারবার বলার পরও কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না। তাতেই মানুষের প্রতিনিয়ত অসন্তোষের পারদ বাড়ছে। এদিকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিজেপির প্রাক্তন মহিলা মোর্চার রাজ্য কমিটির মেম্বার স্নেহা বেগম বর্তমান সরকারকে হুমকি দিয়ে বলে তিনি আত্মহত্যার করবেন। কারণ তিনি পুরনো বিজেপি কর্মী। যখন এলাকায় পতাকা তুলে স্লোগান দেওয়ার লোক ছিল না তখন তিনি দলের জন্য লড়াই করেছেন। কিন্তু ২০১৮ সালে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর একটি মোরগের ছানা এবং একটি হাঁসের ছানা পর্যন্ত তাকে দেওয়া হয়নি। আজ উনার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার করা কিংবা নিজ বাড়ীর জন্য একটি শৌচালয় চাইলে দেওয়া হয় না। দল বারবারই তাকে কাঁচকলা দেখিয়ে দিচ্ছে বলে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দাবি করেন। তিনি বলেন এভাবে বঞ্চনার শিকার হলে আত্মহত্যা করবেন। এর জন্য দায়ী থাকবেন এলাকার বিধায়ক বিন্দু দেবনাথ এবং মন্ত্রী।

